আমার লিখা আর্টিক্যাল লেখালেখি

মানুষ কেন জামায়াত করে?

 

যারা জামায়াতে ইসলামীর সদস্য সদস্য মানে রুকন, কর্মী বা সহযোগী সদস্য কিংবা সমর্থক অথবা ফেইসবুক কর্মী, তারা কিন্তু জামায়াত করেন না একই কারণে তাদের বিভিন্ন জন বিভিন্ন কারণে জামায়াত করেন

আমার ফেইসবুক ফ্রেন্ড রাকিবুল এহছান মিনার বাংলাদেশে এতোগুলো ইসলামী দল থাকতে আমি কেন জামায়াতে ইসলামী করবো?” এমন একটি প্রশ্ন জুড়ে দেন তার টাইম লাইনে 

তার জবাবে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরণের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন তাদের সেই সব বক্তব্য নিয়ে আমার এই প্রতিবেদন

 

Md Billal Hossen বলেছেনঃ
আল্লাহ বলেন, তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরো বা সংঘবদ্ধ জীবন ধারণ কর। পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।….

 

Naimur Rahman বলেছেনঃ 

ইসলামী আন্দোলন ফরজ।

 

Md Nazim বলেছেনঃ 

আমি কেন জামায়াতে ইসলামী করি? কোরআন সুন্নাহ সম্পর্কে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যা বুঝেছি তা হল সামগ্রিক ভাবে প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের কাজ হলো দুটি।

১. নিজে দ্বীনের সামগ্রিক দাবি মেনে চলা

২. আর যেখানে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব কালিমা বা কোরআন সুন্নাহর নীতি আদর্শ কায়েম নেই, সেখানে স্থান কাল পাত্র ভেদে দ্বীন কায়েমের আন্দোলন করা।

উপরোক্ত দুটো গুণ অর্জন ব্যতিরেখে একজন মানুষ তার ঈমানী মর্যাদা হারাতে বাধ্য অর্থাৎ আপনি ব্যক্তিগতভাবে যতই নামাজ রোজা হজ্ব যাকাত ও তাহাজ্জুদ আদায় করুন না কেন, যতক্ষণ না আপনি আল্লাহর
সার্বভৌমত্ব কালিমা বা বিধান কায়েমের লক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রাম না করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি খাঁটি মুমিনের কাতারে শামিল হতে পারেন না। কেননা কোরআনের শাসনতন্ত্র ক্বায়েমের আন্দোলন হল সবচেয়ে বড় ফরজ। এ আন্দোলন কখনো একক ভাবে সম্ভব নয়
, প্রয়োজন একটি সূসংগঠিত ঐক্যবদ্ধ ইসলামী দলের জামায়াতে ইসলামীর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছেযা অন্য কোন দলের নেই।

এক. জামায়াতে ইসলামী যথেষ্ট সুশৃঙ্খল ও সংযমী।

দুই. জাতীয় রাজনীতি করার মতো পর্যাপ্ত রসদ সামগ্রী ।

তিন. জামায়াতি ইসলাম একমাত্র মূল ধারার ইসলামী দল।

এ ছাড়া অন্যান্য ইসলামী দল গুলো মূল ধারার ইসলামী দলের সংজ্ঞায়ও পড়ে না। কোন কোন দল পারিবারিককোনটা ব্যক্তি কেন্দ্রীক আবার কোনটা নিকৃষ্ট রাজ ধারার সমর্থিত, যা মূল ধারার ইসলামী দলের সাথে সাংঘর্ষিক।

তাই জামায়াতে ইসলামী খিলাফত এর দায়িত্ব কোরআনের শাসনতন্ত্র রক্ষায় দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারবেন, সেহেতু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে দ্বীন ক্বায়েমের জযবায় জামায়াতে ইসলামীকে মনে প্রাণে ভালবেসেছি যা আজীবন অটুট থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

রাহমান বিপ্লব বলেছেনঃ
ইসলামের সকল মত ও ফেরকার মিলনমেলা, সমঝোতা ও ঐক্যের বাস্তব রুপ প্রাকটিস করতে জামায়াত করবো।

 

আহাম্মদ আলী বলেছেনঃ 

আল্লাহ তায়ালা বলেন “তোমরা আল্লাহর রুজুকে শক্তভাবে আকড়ে ধরো পরস্পর বিচ্ছিন্ন হইয়ো না,এই আয়াতে আল্লাহর রুজুকে আঁকড়ে ধরার জন্য জামায়েতে ইসলাম সর্বপ্রথম এগিয়ে আলহামদুলিল্লাহ,, বাংলাদেশের অন্যান্য দলগুলো শুধু নিজ দলকেই ভালোবাসে আর বাকি দলগুলোকে মনে করে সঠিক নয়।কিন্তু একমাত্র জামায়াতে ইসলামী নিজ দলকে ভালোবাসার সাথে সাথে অন্যদলকেও সন্মান করে এদের লক্ষ শুধু নিজেই জান্নাতে যাবে সেটা নয় বরং নিজের পরিবার,প্রতিবেশী, নিজের দেশীয় ভাই এবং সারা বিশ্বের মুসলমান ভাইদেরকে নিয়ে জান্নাতে বসবাস করা। সারা পৃথিবীর বুকে আল্লাহ ও তার রাসুলের বিধান প্রতিষ্ঠিত করা

 

Fahim Ahmed বলেছেনঃ 

একটা গল্প বলি । একটি প্রতিস্টানে শিক্ষক নিয়গের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি দেখে চাকরি নেওয়ার জন্য অনেকেই আবেদন করলো । আবেদনকারীদের মধ্য ছয়জনকে প্রথমিক নির্বাচন করা হলো । ঐ ছয়জনের মধ্যে কেহ আরবীতে বেশ ভালো, কেহ ইংরেজীতে, কেহ অংকে, কেহ বাংলা, আবার কেহ হাদিসে বেশ ভালো-কিন্তু একজনকে পাওয়াগেলো একটু ব্যতিক্রম-ঐ ব্যতিক্রম ব্যক্তিটি-আরবি, বাংলা, ইংরেজি, কোরআন হাদীস সব বিষয়ে পারদর্শি-এমনকি তিনি জাতীয়-আন্তর্জাতিক সব বিষয়ে জ্ঞান রাখেন ।
এখন আপনি বলেন-আপনি নিয়োগ প্রদানকারী হলে কাকে বেছে নিতেন? নিশ্চয় সব বিষয়ে পারদর্শি ব্যাক্তিকে
আর জামাতে ইসলামির উদাহরণটা ঐ সব বিষয়ে পারদর্শি ব্যাক্তির ন্যায়।

 

Jahir Mojumder বলেছেনঃ 

শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি এই তিনটা শব্দকে বাংলাদেশের কোনো সংগঠন যদি সৎ ভাবে আলিঙ্গন করে পথ চলে সেটা হলো একমাত্র বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম। এছাড়া জামায়াত ইসলামী হলো এমন এক ইসলামী সংগঠন যেটা জন্মলগ্ন থেকে আল্লাহর প্রদত্ত সংবিধান এবং রাসূল সা: এর সুন্নাহ মোতাবেক বাংলার বুকে এক প্লাটফর্ম। সততা, শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলের আনুগত্য এই সংগঠনের মূর্খ্য বিষয়। নেই কোনো দলীল কোন্দল বা পদ-পদবী নিয়ে বিভাজন। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর এক একজন কর্মী এক একটা আশার প্রদীপ। যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নাম বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। কেউ যদি অন্ধ ভাবে বিচার না করে একটু গবেষনা মূলক জামায়াতের বিরুদ্ধে সমালোচনা করতে চায় আমার বিশ্বাস সেও একদিন জামায়াতের আর্দশে নিজেকে সোর্পদ করবে। সব কিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম দুনিয়ার জীবনের চেয়ে আখেরাতের জীবনকে প্রাধান্য দেয় বেশি এবং একজন ব্যাক্তির নৈতিকতা,সৎ আদর্শ বাস্তবায়নের একটা প্লাটফর্ম যার জন্য আমি জামায়াত ইসলাম করবো।

 

Esrafil Alam বলেছেনঃ 

আমার কাছে মনে হয় বাংলাদেশের সবগুলো ইসলামি দল খেদমতে দ্বীনের কাজ করছে, আর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইক্বামাতে দ্বীনের সবচেয়ে বেশি কাজ করছে এবং পাশাপাশি খেদমতে দ্বীনের কাজও করছে।

উল্লেখ্য যেইক্বামাতে দ্বীনের পূর্বে খেদমতে দ্বীনের কাজ হয় না। অর্থাৎ যে দেশে দ্বীন প্রতিষ্ঠাই নেই সে দেশে দ্বীনের খেদমত হয় কি করে! তাই আমি বাংলাদেশের সব ইসলামী দলগুলোর উপর সম্মান রেখে ব্যক্তি জীবনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার লক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংগঠনটি করি।

 

Nusrat Jahan বলেছেনঃ 

কারণ জামায়াতে ইসলামী হচ্ছে, এমন একটি সংগঠন যেখানে ইসলামি শরীয়ত আইন বাস্তবায়ন করা হয়। যেটা
অন্য কোন সংগঠনে দেখা যায় না।

 

Shimul Salim বলেছেনঃ 

কারণ জামায়াত ইসলাম কোরআন ও হাদিসের আলোকে চলে, আর ইহকালে কল্যাণ আর পরকালে মুক্তি লাভ করার জন্য এটি উত্তম ভাবে সহায়ক।

 

ইমরান মজুমদার বলেছেনঃ
পড়াশোনা শেষ তাই জামায়াত ইসলাম করবি না হলেতো শিবির করতি

 

Abdul Dhali বলেছেনঃ 

আমার মনে হয় জামায়াতে ইসলামই একমাত্র দল যারা দেশে দ্বীনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম এবং আন্দোলন করে। একমাত্র জামায়াত ইসলাম এর মাধ্যমেই দেশে ইসলামি শাসন ব্যবস্থা কায়েম হবে, ইনশাআল্লাহ্।

 

Md. Arifur Rahman বলেছেনঃ 

জামাত ইসলাম এমনি একটি দল যেখানে কেউ সেচ্ছায় দায়িত্ব নিতে চায় না কিন্তু দায়িত্ব ঘাডের কাছে আসলে পিছু হঠাও সম্ভব না যেখানে নেতৃত্বের জন্য কেউ কাড়াকাড়ি করে নাকোন ঘুষ, টাকার লোভ দেখিয়ে কোন পদ নেওয়া যায় নানেই দলাদলি, নেই হিংসা-বিদ্বেষ পরস্পরের মাঝে, যারা দলমত সবার উর্ধ্বে সমান গুরুত্ব দিয়ে সদা অটল অবিচল দ্বীন কায়েমের পথে যা বাংলাদেশ অন্য কোন ইসলামি দলের মাঝে বিদ্যমান আছে বলে আমার জানা নেই, এজন্য সব ছেড়ে আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিয়েছি।

 

Mohammed Jamil বলেছেনঃ 

কারণ এটাতে রয়েছে আমার নবী বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর ৬৩ বছরের আর্দশের সুন্দর জীবনী।যে জীবনীতে একটিও মিথ্যা কথা বলেননি। এটাতে রয়েছে মা-বাবার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য,রয়েছে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য।এটাতে রয়েছে গরিব ধনী সবাইকে সমান অধিকার দেওয়া ইত্যাদি। এর জন্যেই আমি জামায়াত ইসলামী আন্দলনের একজন কর্মী। আমি গর্বিত আমি মহা নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর একজন উম্মত,আমি গর্বিত আমি ইসলামী আন্দলনের একজন কর্মী।

 

Mizanur Rahman বলেছেনঃ 

ভারসাম্যপূর্ণ ভাবে দেশ পরিচালনাজাতি গঠন এবং সার্বিক ভাবে পৃথিবীতে শান্তিসমৃদ্ধি ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পূর্ণাংগ ধারনা একমাত্র জামাতে ইসলামি বাংলাদেশ দিতে পেরেছে। তাই আমি এত ইসলামি দল থাকা সত্যেও জামাতে ইসলামি করছি।

 

Md Mahadi Hasan Mydul বলেছেনঃ

১। এই দলের প্রতিটি কাজেই হয় শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এবং রাসুল (সঃ) দেখানো পথ অনুযায়ী।

২। এই দলের লোকদের ক্ষমতার মোহ নাই বরং ক্ষমতা লাভের চেয়ে সচ্ছ্ব দায়িত্ব পালনের ত্রুটি কেন্দ্রিক ভয় বেশি, ফলে আজ পর্যন্ত কোন দলীয় কোন্দল দেখি নাই।

 

Jannatul Nayeem Tanzu বলেছেনঃ

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যতগুলো ইসলামিক দল রয়েছে তার মধ্যে একমাত্র জামায়াত ইসলাম আল্লাহর কুরআন এবং রাসুলের সুন্নাহ কে বিদায়াতমুক্ত ভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আর একটি ইসলামিক রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য জামায়াত ইসলামকে যোগ্য মনে হচ্ছে সেই জন্য আমরা জামায়াত ইসলাম সমর্থন করে যাচ্ছি।

 

S M Sayid বলেছেনঃ

জামায়াত নির্ভুল ইসলামি দল দাবি করিনা ত্রুটি কিছু থাকবেই কারন তা সরাসরি ওহি দ্বারা পরিচালিত না নবীর মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার,পরিছন্ন,ইলম-আমল,এখলাস ও ইমানী পরিক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ একটি দল। সৎ মানুষ, যোগ্য নেতৃিত্বের মাধ্যমে ইসলাম ও দেশের কল্যানে আগামীর সুন্দর একটি জাতী ও সমাজ উপহারের জন্য জামায়াতে ইসলামির বিকল্প আপাতত দেখি না।

 

Mohammed Sumon বলেছেনঃ 

সময়ের চাহিদা অনুযায়ী রাজনৈতিক দুরদর্শিতা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাব বিস্তার, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতি সহনশীলতা, জবাবদিহিতা মুলুক নের্তৃত্ব সজন প্রিতি মুক্ত, ঈমানী পরিক্ষায় উর্ত্তীণএকটি ইসলামি দল। যা অন্য সব ইসলামি দল গুলোর মধ্যে নেই। তাই আমাকে জামায়াতে ইসলামী করতে হবে বলে আমার মনে হয়।

 

Morsalin Hira বলেছেনঃ 

আলহামদুলিল্লাহ জামায়াত এমন একটা দল যারা জান এবং মাল দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জীহাদ করে। একমাত্র মহান মনিবের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যার প্রমাণ আমরা দেখেছি যারা ফাঁসির সামনে দাঁড়িয়ে ও জালিমের কাছে মাথা নত করে নাই।

 

H M Kamruzzaman বলেছেনঃ 

যুগোপযোগী গঠনতন্ত্র, ইসলামী আদর্শের পূর্ণরুপ বাস্তবায়নে, ত্যাগি ও বৈশ্যিক বর্তমান পেক্ষাপট বুঝার মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,, ব্যতীত অন্য কোন ইসলামী দল না থাকার কারনে।

 

Foysal Ahammad বলেছেনঃ

১. মানব জীবনের সকল বিভাগে ইসলাম অনুযায়ী চলতে চায়।

১. পরিবার তন্ত্র নেই গঠনতন্র মেনে যোগ্যরাই নেতৃত্ব আসে।

৩. সাধারণ মানুষকে জান্নাতে নেওয়া তথা যোগ্য করে তোলার জন্য পিতা মাতার মত চেষ্টা করে। অনেক ক্ষেত্রে তার ও বেশি।

৪. আল্লাহর আইন জীবনের সব জায়গায় প্রয়োজন এটা একমাত্র জামায়াত মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী কাজ করে।

৫. সামাজিক কাজ মানব সেবার কাজ ব্যাক্তিগত অর্থ দিয়ে জামায়াতের চেয়ে বেশি কেউ করে না।

৬. সাধারণ মানুষের ইসলামের জ্ঞান অর্জনের তৈরি করেছে এক বিরাট সাহিত্য ভান্ডার।

 

Salman Hossain বলেছেনঃ 

রাষ্টীয় ভাবে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যায়, এ কাফেলার সংগঠণ। অনেক অন্ধকারে থাকা তরুন তরুনী নতুন প্রজন্মকে আলোর পথ দেখায় এ সংগঠণ, সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়ের বিরুদ্দে সব সময়ে গর্জে উঠে এ সংগঠনের কন্ঠসূর.. তাই মন থেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসি।

 

HM Ahsan বলেছেনঃ 

আমার দৃষ্টিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী” এমন একটি সংগঠন, যার মধ্যে রয়েছে, জাতিকে তাগুতের অন্ধকার থেকে টেনে বের করে সঠিক জ্ঞানের ভিত্তিতে কোরআনের আলোয় আলোকিত করে একটি সভ্য সমাজ গঠন করার পরিপূর্ণ সিলেবাস। আর এই সংগঠনটির বিরোধিতা করে কেবলমাত্র তারাই , যাদের আছে পদ/ অথবা ক্ষমতা হারানোর ভয়অথবা বাপ-দাদাদের তৈরি করে রেখে যাওয়া মনগড়া কোরআন বহির্ভূত নিয়ম-নীতির কাঠামো ভেঙে যাওয়ার ভয়। মনে রাখতে হবে ইসলামী দলগুলো একে অপরকে সঠিকভাবে চিনতে না পারলেও , তাগুতী শক্তি কখনো সঠিক ইসলামী দলকে চিনতে ভুল করে না , যার ফলে তাগুত সবসময়ই বিশেষ একটি ইসলামী সংগঠনের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে যায় । আর এভাবেই তাগুত হকপন্থী ইসলামী দলটির ওপর জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে জাতির সামনে বরাবরের মতোই পরিষ্কার করে তুলে ধরে ।

মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম” যখন মক্কার কাফেরদের কে কোরআনের দাওয়াত দিয়েছিলেন, তখন আবু জাহেল, আবু লাহাব , তারা তাঁর দাওয়াত কে অস্বীকার করেছিল এই জন্যযে ক্ষমতা ও তাদের বাপ দাদাদের রেখে যাওয়া নিয়ম-নীতি সব ভেঙে চুরমার হয়ে যাবার ভয়েই মূলত কোরআনের দাওয়াত কে অস্বীকার করেছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য একটাই পৃথিবীতে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করা।

 

মো ইসহাক রুবেল বলেছেনঃ
যেই ভিত্তি ছাত্র শিবির গড়ে দিয়েছে সেই ভিত্তির উপর অটল থেকে জান্নাতের পথ নিশ্চিত করতেই বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম করবো।

 

MD Sabbir Hossen Nomani বলেছেনঃ 

ইসলামী আন্দোলন করা ফরয ৷এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সূরা আলে ইমরানের ১০৪ এবং ১১০ নং আয়াতে বিস্তারিত অনেক কথা বলেছেন৷ আবুল আলা মওদুদী বলেছেন ইসলামী আন্দোলন করা যেহেতু ফরয সেহেতু আপনাকে অবশ্যই করতে হবে এক্ষেত্রে আপনার কাছে জামায়াত যদি পারফেক্ট মনে না হয় তাহলে এর চেয়ে বেশি পারফেক্ট দল থাকলে সেটা করুন ৷আর যদি কোন দলই পছন্দ না হয় তাহলে নিজে একটা দল প্রতিষ্ঠা করুন৷জামায়াত ইসলামী আমার কাছে সঠিক মনে হওয়ার কারন হলো ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেছেন তোমরা যদি সঠিক দল চিনতে চাও তাহলে ঐ সময়ের তাগুত শক্তির দিকে তাকাও তাদের নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কাদের উপর চালানো হচ্ছে ৷আজকে আপনারা দেখবেন দেশে যা কিছু ভালো কাজ হচ্ছে সে যদিও তাগুতের দলের বড় কোন লিডারও হয় তবুও তাকে জামায়াত বলে সম্বোধন করা হয়৷ এছাড়া যুগে যুগে রাসুল (স) সাহাবায়ে কেরাম সহ যুগে যুগে যারাই ইসলামের পথে অবিচল ছিলো তাদের উপরই চলেছে নির্যাতনের ষ্টীম রোলার৷ আমি মনে করি অন্যান্য দলের চেয়ে এ কারনেই জামায়াতে ইসলামীকে সঠিক মনে করি।

 

Nazim Ibn Wahid বলেছেনঃ 

আমি জামায়াতে ইসলামী করার অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, সমসাময়িক ইসলামী দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীকেই উত্তম সংগঠন মনে হয়, ব্যক্তি গঠন এবং দ্বীন কায়েমের ক্ষেত্রে জামাত ইসলামের অন্যান্য ইসলামী দল আছে অগ্রবর্তী।

 

Rasel Ahmed বলেছেনঃ 

জামায়াতে ইসলামি এমন একটি দল যে দুনিয়ার কোন মানুষের আর্দশ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে না। এমন এক মহামানবের আর্দশ বাস্তবায়নে কাজ করে যার আর্দশ বাস্তবায়ন করতে পরলে দুনিয়া ও আখেরাতে কামিয়াবি হওয়া যায়। আমি এর জন্যই জামায়াত ইসলামি করি।

 

মুঃ ইমরান হুসাইন ঈসা
বলেছেনঃ আমি সাপোর্ট করার একমাত্র কারন হলো অধিকাংশ দলের কাছে এরা মাজলুম 

 

Abdullah Al Mamun বলেছেনঃ

প্রথমত বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী একটি পূর্নাঙ্গ ইসলামী সংগঠন। এই সংগঠনের রয়েছে কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক দলিও কার্যক্রম। আর এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অাল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মাধ্যমে আল্লাহ সন্তুষ্টি এবং আখিরাতে মুক্তি।

এই সংগঠনের রয়েছে বিশাল ইসলামি সাহিত্য ভান্ডার, রয়েছে অসংখ্য কল্যাণমূখী সামাজিক প্রতিষ্ঠানযা মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনারা আরও বেশি জেনে খুশি হবেন সেটি হলো এই সংগঠন কোনো ব্যাক্তিমালিকানা নয়!! রয়েছে সাংগঠনিক কাঠামো পদ্ধতি, আছে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং ব্যক্তি মানোন্নয়ন করার মতো সুন্দর রিপোর্ট ব্যবস্থা।।

আর এই সংগঠন অন্য কোনো সংগঠনের বিরুদ্ধে কোনো সমালোচনা ছাড়াই এগিয়ে যাচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ।।

আর তাই আমি এই সংগঠনের ক্ষুদ্র একজন কর্মী হিসেবে কাজ করি।। আলহামদুলিল্লাহ।

 

Nayeim Sheikh বলেছেনঃ 

একটা হীরার সঙ্গে অনেকগুলো পাথর থকলেও আমি হীরার দিকেই হাত বাড়াব৷ দেশে ইসলামী দল অনেক আছে কিন্তু জামাতের মত এতটা আধুনিক নয়৷দেশের সার্বিক সংকট নিরসনে জামাতের বিকল্প নেই৷ সুতরাং যা উত্তম তা গ্রহন করতে বিলম্ব করব কেন?

 

Foisal Uddin বলেছেনঃ 

…..সম্পূর্ণ উত্তর একসাথে লেখলে 8000 character এর বেশি হয়ে যায় তাই তিনটি পয়েন্ট আলাদা করে তিন ভাগে দিয়েছি।…..

 

Kamrul Hasan Tanim বলেছেনঃ 

কারন জামায়াত ইসলাম বলে আমাদের থেকে কোনো ভালো ইসলামী দল থাকলে আপনি তাই করুন।তবুও ইসলামকে ছেড়ে অন্য দলে গিয়ে, জাহান্নামের লাকড়ি হইয়েন না।

 

Tamjed Hashan Al Mahdi বলেছেনঃ 

জামায়াতে ইসলামী”কে ভালোলাগার হাজার কারণ থাকতে পারে, কিন্তু আমি কোনো কারণ ছাড়াই “জামায়াতে ইসলামী”কে ভালোবাসি….!!!

 

Kazi Yeahia Tamim বলেছেনঃ 

এখনো শিবিরেই শেষ করতে পারিনি জামাত কে নিয়ে প্রশ্ন খুজতে যাবো কি ভাবে?

 

Omer Faruq বলেছেনঃ 

কারন ইসলাম বিদ্বেষীরা প্রতিনিয়ত ছিনিয়ে দিচ্ছে এটাই সঠিক এবং অগ্রগামী ইসলামী শক্তি।

 

সুলতান সাকিব উদ্দীন কায়কোবাদ বলেছেনঃ 

কেন্দ্রীয় ভাবে দায়িত্বশীলদের আচরণের মুগ্ধতায় আমি জামায়াতে ইসলামীকে সমর্তন করি যেমন ; তারা ঐক্যর গান গায় ঐক্যর জন্য ভিন্ন মতের দলকে কাছে টানার চেষ্টা করে ভিন্নমতের আলেমদের ভালো কাজগুলোকে তারা দলমত বিবেচনা না করে ইসলামের ষার্থে প্রচার প্রশার বাড়ায় ভিন্নমতের ইসলামী দল গুলোর প্রতি সম্মান করতে জানে তারা ঐক্য চাই বিভেদ নয় এগুলো আমাকে বেশ মুগ্ধ করে তাই আমি জামায়াতে ইসলামকে সমর্থণ করি

 

Rezaul Islam বলেছেনঃ

জামায়াতের চেয়ে ভালো দল পেলে জামায়াত করবোনা ‌।

 

Abdul Mazid বলেছেনঃ

আমি পুরুষ্কারের জন্য বলছি না ভাই,কোনো দলকে অসম্মান ও করছিনা,আল্লাহ মাফ করুন।

,একদা আমি মনে করছিলাম জামাতে ইসলাম থেকে দ্বীনের খেদমত করতেছে অনেক বেশি তাবলিগ,তাই তাদের সাথে তিন দিনের চিল্লায় যাই,কিন্তু সেখানে গিয়ে বুঝলাম উনারা শুধু এক চিন্তায় আদিষ্ট ।

,আবার মনে হলো সব থেকে ভালো হেফাজতে ইসলামকারণ তারা তখন শাপলা চত্বর সহ বিভিন্ন ঈমানি আবদার নিয়ে মাঠে ময়দানে, কিন্তু ঐ যে কোনো একটা জিনিস পেয়ে ওরা সন্তুষ্ট হলো।

,আবার মনে হলো যে বাকি সব বাদ সব থেকে ভালো আহলে হাদিস, কারণ তারা সব সময় সঠিক টা মানার চেষ্টা করে আলহামদুলিল্লাহ।
কিন্তু চলতে গিয়ে দেখলাম তারা ইসলাম কে কঠিন করে মানে বা অনেক ক্ষেত্রে গোমরাহি করে বসে
,যা বুঝে তা নিয়ে থাকে,অন্য মতকে সম্মান করে না।

সর্বশেষ বুঝলাম একমাত্র অলরাউন্ডার দলই হচ্ছে বাংলাদেশ জামাতে ইসলাম আলহামদুলিল্লাহ,, যে দল অন্য দল সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে না,অন্যের মতকে সম্মান করে। ঘর সমাজ জাতি কিভাবে চলবে তা প্রাক্টিস করে।সবচেয়ে ভালো লাগে দেশে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করতে চায়,যা অনেক দলের চিন্তা মননেও নাই।আল্লাহ এই সংগঠনকে তার দ্বীনের জন্য কবুল করুন আমিন

 

Md Jwell বলেছেনঃ

মধ্যম পন্থা অবলম্বন কারী দল হিসাবে জামাত কে ভালোবাসি

 

Omor Faruq বলেছেনঃ

কারন আমি বাংলাদেশে জামাতের চেয়ে ভালো দল আর খুজে পাইনা,

 

Mohammed Hassan বলেছেনঃ

আল্লাহ্ এবং রাসূল (সাঃ) আর্দশ ধারন করে সৎ এবং হকের উপর আছে তাই জামায়াত এবং শিবির কে কলিজা দিয়ে ভালোবাসি। মরার আগ পযর্ন্ত এই ভালোবাসা আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ,,

 

মাকসুদুর রহমান মাকসুদ বলেছেনঃ

কারন তারা সবসময় আল্লাহ এবং রাসূলের আইন অনুযায়ী চলে,,,,এবং ফরজ বিধান গুলো আঁকড়ে ধরে,,,

 

Shohag Ali বলেছেনঃ

ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহঃ সংঙ্গা অনুযায়ী আমি জামাআতে ইসলাম কে বেছে নিয়েছি

 

Md Imran Molla বলেছেনঃ

আমি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে একটা পাল্টা প্রশ্ন করি। #জামাত ইসলামি করা যাবে না কোন দুঃখে?

 

মুনাওয়ার হাসনাইন বলেছেনঃ

ইবনে তাইমিয়ার সংগা অনুযায়ী…

 

আরিফ বিন সিরাজ বলেছেনঃ

বাংলাদেশে অনেক গুলো ইসলামী দল রয়েছে যাদের বেশিরভাগ দল হয়তো ব্যক্তি কেন্দ্রিক আর না হয় পরিবার কেন্দ্রীকএতে করে যোগ্য ইসলামী নেতৃত্ব তৈরি হয় না। আর আন্দোলন পরিচালনার জন্য অবশ্যই যোগ্যতার প্রয়োজন। এই দিক থেকে জামায়াত একটি ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক দল তাদের মাঝে পদের লোভ থাকে না। ব্যক্তিতন্ত্র আর পরিবার তন্ত্রের কোন সুযোগ নেই। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো তারা দুনিয়ায় চাইতে আখেরাতকে বেশি প্রাধান্য দেয় তাই আমি তাদের ভালোবাসি।

 

Mahtab Uddin বলেছেনঃ

১/ এক লাখ চব্বিশ হাজার পয়গম্বর যে দাওয়াত দিয়েছে জামাতে ইসলামি একই দাওয়াত পেশ করছে,এর চেয়ে এক চুল হটে নাই।

২/ আমার জানা মতে জামাতে ইসলামির মতো আধুনিক, উন্নত, প্রশিক্ষিত দাওয়াত অন্য কোন জামাতে নাই।

৩/ জামাতে ইসলামির গঠনতন্ত্রে এমন কিছু নাই যা কোরআন সুন্নার গেলাপ।

৪/ জামাতে ইসলামি ছাড়া এ দেশে কোনো জামাতের কাছে সুস্পষ্ট আযাদির খাবর নাই।

 

Rafiqul Islam Sujon বলেছেনঃ

বাতিলের বন্ধুকের নল কোন দিকে তাক করা সেটাই হলো সঠিক ইসলামী দল নির্বাচনের প্রকৃষ্ট উপায়। এদেশের সবচেয়ে মজলুম দল জামায়াতে ইসলামী। তাই আমি জামায়াত ইসলামী করিবো।

 

আবিদ আলি হাসান বলেছেনঃ

অন্যান্য ইসলামী দলের ভেতর জামায়াত এজন্যই ভালো লাগে যে, তারা আজও জিহাদী জযবায় উজ্জীবিত হয় অন্যদের চেয়ে বেশী।

 

Foisal Uddin বলেছেনঃ

আসসালামু আলাইকুম মুহতারাম

আমি আপনার এই সুন্দর ও সময়োপযোগী প্রশ্নটির যে দুটো উত্তর দিয়েছি সেগুলো ছিল মূলত নিবন্ধিত যেসব ইসলামি সংগঠন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রীয় ভাবে ইসলামী হুকমত কায়েমের মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তি আনতে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি চায় তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী কেন উত্তম সেই জবাব।

কিন্তু বাংলাদেশে আরও কিছু ইসলামি সংগঠন আছে যারা রাষ্ট্রীয় ভাবে ইসলাম চায়না। তারা মনে করে শুধু দাওয়াত দিয়ে মসজিদে বসে অথবা কিছু পীর আউলিয়া বা ব্যাক্তি কেন্দ্রীক সংগঠন ও আছে।

তাদের বিষয়ে আমার উত্তর হল আমার বাসায় ছাদের উপর টাংকি তে যদি একটা কাক মরে পঁচে গন্ধ ছড়ায় এবং এই গন্ধ যুক্ত বিষাক্ত পানি বাসায় সকল টয়লেটে, রান্না ঘরে, এবং সকল বেসিনের ট্যাপে আসে আর আমি যদি ঐ বাড়ির খাদেম হয়ে সকল ট্যাপের মুখে তেনাফিটকিরিব্লিচিং পাউডার বা হ্যালোজেন ট্যাবলেট মিশিয়ে পানি পরিস্কারের চেষ্টা করি তাহলে আমি কী আদৌ বিশুদ্ধ পানি পাবোনিশ্চয়ই না। আমাকে অবশ্যই টাংকিতে পড়ে থাকা মরা কাকটি সরাতে হবে। ঠিক তেমনি একটি দেশের সংসদে যে মানুষ গুলো দেশ চালায় তারা যদি ইসলামি জীবন বিধান না বুঝে তাহলে সেই দেশে আপনি শুধু দাওয়াত দিয়ে মসজিদে বসে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না।কারণ সে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে সকল সেক্টর পরিচালিত হয় নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে। তাই অবশ্যই সেখানে সৎ,যোগ্য এবং আল্লাহ ভীরু নেতৃত্ব পাঠাতে হবে।

এই ক্ষেত্রেও জামায়াতে ইসলামী আলহামদুলিল্লাহ শত জুলুম নির্যাতনের মধ্যেও অগ্রগামী।।

উদউ ইলা সাবি-লী রব্বিকা বিল হিকমা ওয়া মা উজাতুল হাসানা। ফি আমানিল্লাহ

 

Mahbube Humyra বলেছেনঃ

কারণ আল্লাহ্‌র রাসূলের নির্দেশ : তোমাদের কে আমার ও খোলাফা এ রাশেদীনের সুন্নাত অবশ্য অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। রাসূল (স. ) এর এই নির্দেশ অনুসরণ কারী একমাত্র দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম, এই দলের প্রকৃত লক্ষ্য হলো কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করা। আর এটা হলো আল্লাহর নির্দেশ। অর্থাৎ একমাত্র এই দলই আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশ মেনে চলে তাই আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম করব।

 

Mahabub Mahabub বলেছেনঃ

আল্লাহর জমিনে তার দীন প্রতিষ্টার লক্ষ্যে, রাসুলুল্লাহ সাঃ মের সুন্নাহয় দেখানো পদ্ধতিতে সর্বস্তরের মুসলমানদের মধ্যমে ইসলামের সঠিক জ্ঞান , চিন্তার বিশুদ্ধ কর,এবং কোরান হাদীস থেকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করন, আমলের উন্নতি শিক্ষা দেওয়া জামাতে লক্ষ,, পাশা পাশি দুনিয়ার জীবনে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে কোরান হাদীস অনুযায়ী মানুষের মোটিভেট করা,, ট্রেনিংইনস্টিটিউটে মানুষের জ্ঞানের স্কেল বৃদ্ধি করা এবং জাহেলিয়াত মোকাবিলায় পদক্ষেপ গ্রহন করাও জামাতের উদ্দেশ্য,, তারই ধারা বাহিকতায়,,জামাত মানুষকে আল্লাহ দ্বীনের দিকে ডেকে তাদেরকে কোরান হাদীস অনুযায়ী শিক্ষা দেয়,ইসলামকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে, অন্য ধর্মের মানুষের কাছে গিয়ে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরে,, তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত
দেয়
, আর এ কাজ করতে গিয়ে নির্জাতনের শিকার হলেও তা হাসি মুখে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মনে নেয়,,পর কালীন কল্যানের জন্য জীবন পর্যন্ত বিলিয়ে দিতে সর্বদায় প্রস্তুত থাকে।।বাতিলের কাছে মাথা নত করতে শিখায়
না
,,একমাত্র আল্লাহর কাছে মাথা নত করতে শিখায়তাই আমি জামাত করি।।

 

Faysal Ahammad বলেছেনঃ

আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পুনর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন।” জাহিলিয়াতের যুগে এমন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন কে অবশ্যই মেনে নেওয়া যায়।

 

Nasim Hasan Khan বলেছেনঃ

আল্লাহ বলেন :- তোমরা সংঘবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে আকড়ে ধরো, এবং তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ো নারাসূল সাঃ বলেন:- “সংগঠন ছাড়া ইসলাম নেই”,, তাইলে এখান থেকে বুঝতে পারি নিশ্চয় সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকতে হবে, এখন কোন সংগঠন করবো?

প্রিয় ভাইয়েরা! রাসূল সাঃ বলেন, তুমি একটি ইসলামী সংগঠন করো, যদি একটি সংগঠন পছন্দ না হয় তাইলে আরেকটি কে বেছে নাও যদি তাও না হয় তাইলে নিজে একটি সংগঠন তৈরী করো যা হতে হবে ইসলামী সংগঠন, এখন আমি জামায়াত ইসলামী পছন্দ করবো কারণ এই সংগঠন ইসলামের দাওয়াত প্রচার প্রসার ঘটায় যা অন্যান্য সংগঠন করেনা, অন্যান্য সংগঠন শুধু মিছিল মিটিং এ দেখা যায় কিন্তু রাসূল সাঃ এর অনুসরণ করে মাঠে ময়দানে প্রতিদিন দেখা যায় না, এই সংগঠন সবার জন্য সমান,সুশৃঙ্খল** তাই আমি এই সংগঠন করবো

 

Hasib Ahmad বলেছেনঃ

বাংলাদেশ জাময়াতে ইসলামি একমাত্র দল যারা দুনিয়ায় প্রচলিত আইনকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে, আল্লাহ প্রদত্ত আইনের মাধ্যমে ইহকালিন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির দিশা দেখায়

 

Khuku Moni বলেছেনঃ

আরে ভাই কি আর কমুজামায়াত ইসলামের প্রেতাত্মারা জীবিত থাকতেই কান্দে ভর করছে না করে উপায় আছে

 

Sayed Anowar Rifat বলেছেনঃ

জামায়াত ইসলাম এর লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসুল(সাঃ) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পুনর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন *এ সংগঠনের কিছু কর্মসূচি আছে তার মধ্যে হলো

১.দাওয়াত

২.সংগঠন

৩.প্রশক্ষিন

৪.ইসলামি শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্যা

৫.ইসলামি সমাজ বিনির্মান

আর পারসোনালি জামায়াতের কর্মীদের কিছু আদর্শ গুণাবলি আছে,,

১.মজবুত ইমান

২.খোদা ভীতি

৩.আদর্শের সু স্পষ্ট ঞ্জ্যান

৪.আন্তরিকতা

৫.নিষ্ঠা

৬.কর্মস্পৃহা

৭.চারিত্রিক মাধুর্য

৮.কর্মসূচী ও কর্মপথ যথাযথ ব্যবহার অনুধাবন

আল্লাহর জন্য ভালোবাসি আপনাকে এবং প্রিয় সংগঠন এর সকলকে ভালো পুরস্কার লাগবে না,আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে একটু জায়গা দিলে হবে

 

Khuku Moni বলেছেনঃ

আল্লাহ বলেছেন রাসুলের আদর্শ অনুসরণ করতে। জামায়াত ইসলামীর আদর্শ রাসূল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদর্শের সাথে মিশে গেছে। তাই!! আল্লাহর কথা শুনতে হবে নাকি?

 

Delwar Hossen বলেছেনঃ

আপনি জামাযাত ইসলামীতে যোগ দিন,, জামায়াত ইসলামী যদি ভালো না লাগে, আপনি অন্য কোন ইসলামী দলে যোগ, কোন ইসলামী দল ই যদি আপনার কাছে ভালো না লাগে, তবে আপনি কোরান সুন্নাহ মোতাবেক একটি ইসলামী দল গটন করুন, আপনি সে দলের নেতৃত্ব দিয়ে মানুষকে কোরান হাদিসের পথে আহবান করে,দ্বীন প্রতিষ্টার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করুন। তবুও অনৈসলামিক সেকুলার দলের আনুগত্য করবেন না, আল্লামা মুওদুদী রহঃ

 

Md Habib বলেছেনঃ

ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ). এর কাছে এক ব্যক্তি এসে প্রশ্ন করলো আমি আমার দেশের সঠিক ইসলামী দল কোনটি তা কিভাবে খুঁজে বের করবো? তখন ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বললেন, যে দলের প্রতি সবচেয়ে বেশি জুলুম-নির্যাতন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং বিভিন্ন প্রকার অপবাদ দেওয়া হয় তাদেরকেই তুমি “হক” হিসেবে ধরে নেবে কারণ তুমি হক চিনতে ভুল করল বাতিল না কখনোই হক চিনতে ভুল করে না।

উনার প্রতিটি কথার সাথে আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিল পেয়েছি। তাই এটাকে হক হিসেবে ধরে নিয়ে বাংলাদেশে এত পরিমান ইসলামী দল থাকা শর্তেও আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করি।

 

MD Mizanur Rahman Sinha বলেছেনঃ

একটি আর্দশবাদি দল তাই

 

Mohammad Asif Hossain বলেছেনঃ

চেষ্টা করলাম- জবাব দিতে 

১. মানুষ হিসাবে জীবনের মৌলিক বিষয়সমূহকে জামাতের সাহিত্যগুলোতে যেভাবে পাওয়া যায় এবং প্রশিক্ষণ বৈঠকগুলোতে যেভাবে শিক্ষা দেয়া হয় তা আর কোন দলে পাওয়া যায় না।

২. মুসলমান হিসাবে ইসলামকে পুরাপুরি মেনে চলা আমার কর্তব্য। জামাত একজন মুসলমানকে পরিপূর্ণ ইসলামের পথে চলার বেপারে ডাকে, প্রশিক্ষণ দেয় এবং সহযোগিতা করে।

৩. ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর আদেশ সকল মুসলমানের প্রতি এবং নবীদেরকেও এই উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। জামাত তাদের আন্দোলনের লক্ষ্য নির্ধারন করেছে ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করা।

৪. জামাত একজন অশিক্ষিত মানুষকে তাদের প্রশিক্ষণ বৈঠকের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে জীবনের জন্য অতি প্রয়োজনীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলে।

৫. জীবনের সকল কাজকর্মে দ্বিমুখী নীতি দূর করার বেপারে জামাত কার্যকর ব্যবস্থা রেখেছে যা আর কারো মধ্যে দেখা যায় না।

 

Sanjida Setu বলেছেনঃ

নিজেকে গড়ার জন্য এটার বিকল্প আর কিছু আছে কিনা জানা নাই। আর গুলো তো সবাই বলে দিলো এসে দেখি

 

মোঃ জুয়েল সরদার বলেছেনঃ

তোমার দাওয়াত আমার দাওয়াত নেই দাওয়াতে মিল

 

Kazi Zafor Al-Mamun বলেছেনঃ

অাল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

 

Abdullah Al Mujahid বলেছেনঃ

দেখুন যালিমদের প্রতিপক্ষ কারা।?

 

শেখ ফরীদ আনছারী বলেছেনঃ

আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের ভালোবাসার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল পরিচালিত করে, ফলে অন্যান্য দলের চাইতে জামায়াতে ইসলামীই সেরা৷

 

Md Tazul Islam বলেছেনঃ

জীবনের চলার পথ কখনো কুসুমাস্তীর্ণ হয় না।হয় কণ্টকাকীর্ণ। এই কণ্টকাকীর্ণ ( সত্য ও ন্যায়ের) পথকে সফলতার সু উচ্চ চূড়ায় পৌঁছে দিতে অনেক শত্রুর সম্মুখীন হতে হয়,হতে হয় অনেক বাঁধা বিপত্তির,এমনকি জীবন বিলি দেওয়ার ও।যেটার শিক্ষা পাই আমরা সমস্ত নবী রাসূল ও সাহাবীদের জীবনী থেকে
তার এই পথ থেকে একচুল পরিমান ও সরে দাড়ান নাই।যারা কখনো নিজেদের স্বার্থের কথা ভাবেন নাই। ভেবেছেন সকল আপামর জনতার কথা।সুখে দুঃখে পাশে দাড়িয়েছেন সর্বদা। তাদের একটাই লক্ষ্য আল্লাহর বিধান মোতাবেক জীবন পরিচালনা করা।কারন এতেই প্রকৃত শান্তি।তারা হাসতে হাসতে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন শুধু মাত্র এই কাজের জন্য।আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশে এমন মন মানসিকতার দল একটাই আছে।নিঃসন্দেহে সেটি
 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী  অন্যদের মধ্যে স্বার্থ আর অহংকারে ভরা।

 

Ahmed Husain Josim বলেছেনঃ

জামাতে ইসলামী চায় প্রতিটি রাষ্ট্রে ইসলাম কায়েম করতে। আর ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালানা করারা জন্য যেমন যৌগ্য মানুষের প্রয়োজন ঠিক তেমনি যৌগ্য মানুষ তৈরীর কারিগর জামাতে ইসলাম। তাই আমি জামাতে ইসলামী করবো।

 

Ahmed Hussain বলেছেনঃ

সৎ, দক্ষ, দেশ প্রেমিকএ সবগুলোই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে হলে যেসকল গুনাবলী প্রয়োজন তার সব গুলো আছে, নেতৃত্বে কোন অভাব হবে না পরিবারতান্ত্রিকও নেইতাই মাধ্যম পন্থা হিসেবে আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামকেই বেছে নিয়েছি। 

 

Tamzid Hajari বলেছেনঃ

আল্লাহর উপর পূর্ন আস্থা বিশ্বাস।

খোদা ভীতি ও জবাবদিহিতা মূলক নেতৃত্ব।

তাওহীদ ভিত্তিক গঠনতন্ত্র।

দ্বিন কে জীবনের উদ্দিশ্য মনে করা।

 

কে এম ফয়সাল আহমেদ বলেছেনঃ

ইসলামী আন্দোলন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ। আর এই ফরজ বিধানটি মানার জন্য বা দ্বীন কায়েমের আন্দোলন করার জন্য বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে যোগ্য কোনো দল বা মত নেই তাই আমি জামায়াতে ইসলামীর সাথে সম্পৃক্ত।

 

Ahsan Ullah বলেছেনঃ

আলহামদুলিল্লাহ জামায়াত ইসলামী সবার কাজকে সম্মানের চোখে দেখে যারা খেদমতের কাজ করে তাদেরকেও

অহংকার মুক্ত অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সকলেকে দ্বীনের সহযোগী মনে করে ইক্বামতে দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ কাজে অবিচল থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা তাই আমি সহযোগী এই কাফেলার

 

Hafez Faruk বলেছেনঃ

আমার ভালোবাসার কারণ…. কথায় কাজে মিল আছে, দলের আপ থেকে রুট পর্যন্ত ধন্ধের লেশমাত্র ও নাই। নাই দলাদলি বা ক্ষমতার লোভআছে আন্তরিকতা সহমর্মিতা সুন্দর ব্যবহার।হিংসার কোনো ছোঁয়া ওনাই। এদের আছে গবেষণাগারপ্রচুর পড়াশোনা করে।

 

Tasnia Sultana বলেছেনঃ

একটা ট্রেনের অনেকগুলি বগি থাকে কিন্তু সেখানেও থাকে পার্থক্য যেমন এসি যুক্ত তবে তাতে কষ্ট করে একটু একটু করে টাকা জমিয়ে উঠতে হয় , নন এসি তবে ভাল মান সম্মত সিট আবার অন্যটাও নন এসি যেটাতে ভাল মানের সিট নেই। আমার কাছে জামায়াতে ইসলামীটা অনেকটা সেই এসি ওয়ালা বগির মতই মনে হয়। তাই হয়তো এতটা পছন্দ করি।

 

Binte Omar Faruque বলেছেনঃ

বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শ রাজনৈতিক দলের নাম।সেই সাথে একদিকে ধর্মীয়,সাংস্কৃতিকসমাজ সংস্কারমূলক,জনসেবামূলক কার্যক্রম ভিত্তিক ও আধ্যাত্মিক কর্মসূচিমূলক দলের নাম অপর দিকে উত্তম নৈতিক চরিত্রসম্পন্ন মানুষ গড়ার কারখানা ও সর্বোত্তম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম।দেড় হাজার বছর আগে রাসূল (সাঃ) যে ইসলাম আমাদের কাছে পেশ করেছেন তা এমন একটি সু-সমন্বিত সর্বাংগীন সুষ্ঠু ও সুন্দর জীবন ব্যবস্থা যার মধ্যে রয়েছে একটি সুষম অর্থনৈতিক জীবনার্দশনসুবিন্যস্ত সামাজিক প্রতিষ্ঠান, দেওয়ানী ফৌজদারি ও আন্তর্জাতিক আইন বিধি,ভারসাম্যপূর্ণ উত্তরাধীকারী আইন ব্যবস্থা এবং একটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবন দর্শন।ইসলামের উল্লেখিত রুপটি ই বাংলেদেশ জামায়েতে ইসলামী সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।তাই প্রত্যেক মুসলমানদের উচিত বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী করা।

 

আল আমিন বলেছেনঃ

জামায়াত ব্যতীত বাংলাদেশে প্রচলিত অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যোগ্য নেতৃত্বের অভাব,ইসলামী বিদ্বেষীদের চতর্মুখী ষড়যন্ত্র ও বৈশ্বিক চ্যালেন্জ মোকাবেলায় যথাযোগ্য যুগোপযোগী কর্মীবাহিনী গড়ে তোলার মত প্রয়োজনীয় রসদসামগ্রীর (কর্মসূচি,কর্মপদ্ধতি,সাহিত্যভান্ডার) অভাবদলীয় সংকীর্ণ মানসিকতার ক্রমাগত অনুশীলনইসলামের বৃহত্তর স্বার্থকে তুচ্ছ করে হকের সার্টিফিকেট শুধু নিজেদের মধ্যেই বন্টন করার মানসিকতাপরিবারতান্ত্রিকতার নির্লজ্জ চর্চানিজেদের দল ব্যতীত অন্যদেরকে দ্বীন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সহযোগী মনে না করে প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে কাঁদা ছুড়াছুড়ির নোংরা প্রতিযোগিতায় নামা।মূলত এসব কারনেই জামায়াতে ইসলামীকে সবচেয়ে পারফেক্ট মনে হয়।তাছাড়া গতানুগতিক অন্যান্য সব ইসলামী দলের মত জামায়াতের লক্ষ্য,উদ্দেশ্য একই হলেও সরাসরি কুরআন হাদীসের চর্চায় জামায়াতই এগিয়ে আছে।পাশাপাশি জামায়াত শুধু বাংলাদেশেই নয় বরং গোটা বিশ্বেই ইসলাম কায়েম হোক সেই লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক অবস্থানেও অন্যান্য ইসলামী দল থেকে এগিয়ে আছে।আমি জামায়াতকে পারফেক্ট মনে করার পিছনে এসবকেই দায়ী করতে চাই।

 

ভ্রান্ত থেকে দুরে থাকি বলেছেনঃ

আলহামদুলিল্লাহ-জামাত ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রথম সারির নেতারা শত উদ্দেশ্য নিয়ে জামাত ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন।জামাত ইসলাম প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ আবদি পরামর্শ ভিত্তিতে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।বাতিলদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দলকে টিকিয়ে রাখার জন্য আল্লাহর রহমতের পাশাপাশি দলের নেতাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও কোটি মুমিনের দোয়ায় জামাত ইসলাম টিকে আছে। জামাতের গঠনতন্ত্র পড়ে যে কেউ এ শর্ত অনুযায়ী দলে যুক্ত হয়ে টিকে থাকতে পারলে আল্লাহ তাআলা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে পুরস্কৃত করবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর দ্বিন কায়েম করতে এমন একটা দল করাই ফরজে আইন।

 

Muhsina Ferdaus  বলেছেনঃ

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (স) এর মাক্কী এবং মাদানী জীবনের সম্মিলিত প্রয়াস দেখতে পায় “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম” এ। তার ই ধারাবাহিকতায় এই অঙ্গনে পথ চলা,,,,,,

 

Md Abdullah Rashed বলেছেনঃ

একটা প্রবাদ আছে “বাতিলের তীর ভালো ভাবে পরখ করলেই হক কে চেনা যায় ” সে হিসেবে আমরা একটু ভালো করে চিন্তা করলেই দেখতে পাব এই মুহূর্তে ও এই বাতিল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জামায়াতে ইসলামীর উপর তাদের আগ্রাসী মনোভাব। সেটাই বলে দেয় জামায়াত কতটা নির্ভূল ও হকের উপর প্রতিষ্ঠিত।তবে একটি কথা না বললেই নয় সেটা হল দু-একজন নেতার ব্যক্তিগত সমস্যা গুলো বিবেচনা না করলে এই দলের ইসলামিক কোন ত্রুটি নেয় আলহামদুলিল্লাহ।।।

 

Foyez Ahmed Jowel বলেছেনঃ

আন্তঃনগর রেললাইনে অনেক গুলো ট্রেন থাকে,, যদি আপনি ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হোন তাহলে আপনি মহানগর ট্রেন ধরতে হবে,, যদি আপনি জালালাবাদ ধরেন তাহলে আপনি চাঁদপুর চলে যেতে পারেনআপনার মূল গন্তব্য পোছতে পারবেন না,,,সেই সুবাদে বাংলাদেশে অনেক গুলো ইসলামী দল আছে কিনতু মূল উদ্দেশ্য গন্তব্য যাওয়ার দল খুবই কম,,, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্যক্তি তান্ত্রিক পরিবার তান্ত্রিক সংগঠন নয়,,

 

Rasel Mahmud বলেছেনঃ

জামায়াত ইসলাম হলো একটা ইউনিভার্সিটি যে এই ইউনিভার্সিটিতে সঠিক ভাবে প্রবেশ করবে সে নিখুঁত খাঁটি মানুষে রুপান্তরিত হবে।এটা আমার বিশ্বাস এই জন্য জামায়াতে ইসলাম করা প্রোয়োজন ।

 

Md Hannan Abu Nabeel বলেছেনঃ

ইসলামীক সংগঠন গুলোর মধ্যে জামায়াত ইসলাম একমাত্র সংগঠনঃ
যারা দুনিয়ার ছেয়ে আখেরাতকে প্রাধান্য বেশি দেয়। এবং কোরান হাদিসের আলোকে আত্মগঠনের পাশাপাশি জাতি গঠন
, সমাজ গঠন, ও দেশ গঠনে অগ্রণী ভুমিকা পালন করে আসছে। তাই আমি জামায়াত করি।

 

Mohammad Alamgir বলেছেনঃ

কয়েকটা কারনে জামায়াতে ইসলামীকে ভালো লাগে।

১। দ্বীন কায়েমের সর্বোচ্ছ প্রচেষ্টা: এদেশে অনেক ইসলামী দল অনেক আছে তবে আমার কাছে তুলনামূলকভাবে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য জামায়াতে ইসলামীই সবচেয়ে বেশি সোচ্চার মনে হয়এবং দ্বীন কায়েমের জন্য তাদের মতো ও হাজারো পরিশ্রম ত্যাগ স্বীকার করে জুলুম অত্যাচার সহ্য করে দাঁড়িয়ে আছে, এমন নজীর আর কো দলে নেই। কাজেই…..

২। উম্মাহ দরদ: বাংলাদেশে অনেক ইসলামী দল দেখেছি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বলতে বিরোধিতা করতে কিন্তু জামায়াতে ইসলামীকে অন্যকোনো ইসলামী দলের বিরুদ্ধে বলতে কখনো দেখিনি এই উম্মাহ দরদ এবং বিরোধীদের প্রতি সু-ধারণা পোষণ-ই আমাকে মুগ্ধ করে।

৩। ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা: অন্যের মতকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করার মানসিকতা সবাই রাখেনা এই মহৎ গুণটি আমি জামায়াতে ইসলামীর মধ্যেই সবচেয়ে বেশি বিদ্যমান দেখতে পাই, মতপার্থক্য থাকা সত্ব্যেও ভিন্নমত পন্থীদের প্রতি মোহাব্বত ভালোবাসা রেখে ঐক্য থাকার চেষ্টা করা। এই বিষয়গুলো আমাকে জামায়াতে ইসলামী করতে উৎসাহ করে। এই দলটি নিয়ে আরও অনেককিছু বলা যায়, কমেন্ট বড় করতে চাইনা।

 

মোহাম্মদ মিজান বলেছেনঃ

প্রশ্ন: বাংলাদেশে এতোগুলো ইসলামী দল থাকতে আমি কেন জামায়াতে ইসলামী করবো?

উত্তর: বাংলাদেশে ছোট,বড় , নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত অনেক গুলো ইসলামী দল আছে সত্যতবে আমার মতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নামে এই দলটির কতগুলো অন্যতম বৈশিষ্ট্য আছে।

১/ এ দলের নেতা কর্মীরা আল্লাহ্ ভীরু।

২/ এ দলের নেতা কর্মীরা চরিত্রবান ও দুর্নীতি মুক্ত।

৩/ এরা আমানতধার ও পরউপকারী এবং মাজলুমের বন্ধু।

৪/ এ দলের নেতা কর্মীরা নেতৃত্বের লোভ করে না তবে দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে এদের নিঃস্বার্থ ভুমিকা প্রশংসার দাবিদার।

৫/ এ দলের নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয় যোগ্যতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইনসাফের মধ্য দিয়ে ।

৬/ এ দলের নেতা কর্মীদের মধ্যে সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভাতিত্ববোধ অন্য যে কোনো দলের চেয়ে প্রশংসনীয়।

৭/ সব চেয়ে বড় বিষয় হলো এই দলটির আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে-আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করা, যা

অন্য কোনো দলের উদ্দেশ্য নয়।

আপনি এজন্যই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল করবেন যতক্ষণ না এর চেয়ে ভালো কোনো ইসলামী দল বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত না হচ্ছে। যদি এর চেয়ে ভালো কোনো ইসলামী দল বাংলাদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়!

আমি নিজেও সে দলে যোগ দেবো ইনশাহ আল্লাহ্।

মোহাম্মদ মিজান, কুয়েত সিটি থেকেঃ

বিঃ দ্রঃ এর পরও আমি মনে করি এ দলটি ভুলের উর্দে নয়, এ দলের ও কিছু ভুল হতে পারে বা আছে। তবুও মন্দের চেয়ে ভালো।

 

Foisal Uddin বলেছেনঃ

আসসালামু আলাইকুম মুহতারাম

সহজ উত্তর হলআমি যদি ঢাকা যেতে চাই। ঢাকা যেতে অনেক পথ আছে, যেমনঃ বাস,ট্রেন, লঞ্চ, বিমান ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যেও আবার লোকালডাইরেক্ট, AC/non AC ইত্যাদি আছে। আমি যদি সত্যিই ঢাকা যেতে চাই এবং আমার যদি সঠিক জ্ঞান থাকে তাহলে আমি যেই বাহন টি সবচেয়ে বেশি নিরাপদে, সঠিক

ভাবে এবং অল্প সময়ে আমাকে ঢাকা পৌঁছে দিতে পারবে নিশ্চয়ই আমি আমার সাধ্য মতো ঐ বাহনটি করে যাওয়ার চেষ্টা করবো। ঠিক তেমনি সত্যিই আমি যদি পৃথিবীতে শান্তি আনতে এবং মৃত্যুর পরে জান্নাত পেতে চাই এবং আমি যদি বিশ্বাস করি যে দ্বীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তি আসবে এবং চেষ্টার ফলশ্রুতিতে পরকালে মুক্তি ও জান্নাত পাওয়া যাবে, তাহলে যে সংগঠন টি আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের সংগ্রামে অগ্রগামী এবং ইতিমধ্যে শহীদের মিছিলে সংগঠন টির কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যন্ত শামিল হলেও আজ পর্যন্ত কেউ কোনো মানুষের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চায়নি।

নিশ্চয়ই আমি সেই সংগঠনটির পতাকা হাতে কোরানের সমাজ বিনির্মানে জীবন বিলিয়ে দেব। আর তাই আমি জামায়াতে ইসলামীকে ভালো বাসি।

১! কুনতুম খাইরা উম্মাতিন উখরেজাত লিন্নাস……

২!ওয়ালতাকুম মিনকুম উম্মাতিন ইয়াদ উ ইলাল খায়ের ……….

৩! ওয়া তাসিমু বিহাবলিল্লাহি জামিয়া.ওয়া লা তা ফাররাকুন।…..

তবে জামায়াতে ইসলামীকে বুঝতে হলে ভালো -মন্দ যাচাই করার ন্যুনতম ইসলামি জ্ঞান থাকা জরুরি।

আশাকরি পুরস্কার পাওয়ার মতো উত্তর দিতে পেরেছে জীবন সংগ্রামে ব্লাড ক্যান্সার থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ছোট্ট ভাই হিজবুল্লাহ আল আরাফ এর পক্ষে।

 

Foisal Uddin বলেছেনঃ

হা হা হা আসসালামু আলাইকুম ভাই পুরস্কারের কথাটি লেখেছি আমার ছেলেটাকে খুশি করার জন্য। দ্বীনের দ্বায়ী তো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই দ্বীনের কথা বলবে। আপনি ও একটি উত্তর লেখেন যাতে মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে ভালো ভাবে চিনতে পারে। জাজাকাল্লাহ খাইরান

 

Nasir Jaheid Ñj বলেছেনঃ

আপনি কেন করবেন?

প্রথমত রাজনেতি বাংলাদের ভাত মাছের পরে অবস্হান।নাড়িবেধে আমরা রাজনেতি না করতে চাইলেও সংস্পর্শে চলে আসে।রাজনেতি শব্দটা একটা পবিত্র শব্দ-পবিত্র মানুষরা রাজনেতি করে,সেটা রাসুলের যুগ সাহাবা তাবেতাবেগন করে আসছেআর সেখান থেকে ইসলামি রাজনেতি হালাল বলে গন্য দাবি রাখে।রাজনেতির পবিত্র মেইন কপি ইসলামি যুগ থেকে উদ্ভাবক হয়েছে,একজন আদর্শবান রাজনিতি চিলো আমাদের কলিজার রাসুল(সঃ) এবং তার সাহাবীগন। আর সে আদর্শ লালন করার জন্য যে কোনো ইসলামি দল গঠিত হয়,আর সে আদর্শ বাস্তবে জীবন্ত করার জন্যে আমার দীর্ঘ ২৩+ বছর এ একটা দলকে চেষ্টা করতে দেখতাছি-আমার জন্মের আগ থেকেও তাদের এ চেষ্টার কথা শুনে আসতেছি,যদের আর্দশ রাসুলের আদর্শ যাদের চিন্তা ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করা,যদের আশা কুরআনের পৃথিবী সৃষ্টি করা।

ইসলাম একতা,জামাতিরাও একতাতাদের সামর্থ্য হওয়া থেকে শুরু করে কর্মী সাথি সদস্য,দু-চারটি খানি কথা না,বর্তমান রাজনেতির বাজারে তাদের ডিসিপ্লিন আনবিলিভেবল।(এ প্লাটফর্ম ইন্টারন্যাশনাল একটা প্লাটফর্ম) আর সবচেয়ে বড় গুন নেতার সম্মানে তারা এক পায়ে,যেটা রাসুলের মৌখিক বাণী।একটা চা বানাতেপানিচিনিদুধের সমন্ধয়ে পার্পেক্ট চা হয়,তাদের একটা নেতা হতে এরকম হাজারো গুনের সমন্বয়ে নেতা বলে পরিগণিত করতে হয়। তাদের আর একটা সন্দর চিন্তা,তারা টাকার জন্য চুটাচুটি করে না,তাহলে বুঝেন বতমান বাজারে টাকা ছাড়া কোনো দলের কর্মি নে, এ দলের কর্মিরা উল্টো টাকা দিয়ে রাজনেতি করেএ শতাব্দিতে কোনো চেলে টাকা দিয়ে দল করেতাহলে বুঝেনিন,আসহলে কিছু শিখার আগ্রয়ে তার এ পথ পাড়ি।

জামায়াত শিবির এ প্ল্যাটফর্ম যে সে আসতে পারেনা,ক্লাসের প্রথম সারির ছাত্র গুলো এ দলের অন্তর্ভুক্ত, আর বাংলাদেশে একমাত্র ছাত্র সংগঠন যাদের ৯৯% ছাত্র! শুধু ছাত্র না এক একটা মেধাবী হিরের টুকরো চেলে গুলো।

গ্রামের সবচেয়ে ভদ্র চেলেটা-ই শিবির করে।তারা নামাজ পড়ে,তারা এয়ানত দেয়,তারা নেশাগ্রস্থ না,পরিবারের বাধ্য সন্তান,তারা মেধাবী কিশোর কিশোরী।

একটা জামাতের প্রোডাক্ট, কাওকে নসিহত করতে গেলে,কুরআন আর হাদিসের দলিল সাব্যস্ত করে,মনমুগ্ধকর আলোচনা তৈরী করে,রাসুলের শানে সম্মান আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করে,বাকিরাতো বানোয়াট জাতির পিতা নাম নিয়ে হারামের মত বড় কাজ করে।

জামায়াতের চেলেদের দুইটা ব্যাপার আছে,”রুচি”পার্সোনালিটি “যেটা দেশের অন্য কোনো প্ল্যাটফর্ম রাজনীতিতে নেই বললে চলে।

শেষ কথা:-বলে শেষ করতে পারবোনা তাদের গুনের কথা,….!

তবে,একটা পরিবার কাল্পনিকভাবে তার চেলে কে যে ভাবে দেখতে চাই,বাস্তবিক সে ভাবনার রুপালি আয়না জামাতে ইসলামী সংগঠন ।

আমার একটা শেষ কথা,;-আপনার চেলেকে ভালো মানুষ বানাতে চান,,আপনি বাবা হয়ে চেলের সামর্থ্য ফরম পূরণ করে দেন-যখন আপনার চেলে ক্লাস ফোর ফাইভ অধ্যায়নরত থাকে বাকিটা জামায়াত-ই দেখবে।

মোট কথা অসংখ্য ভালো কাজের একটা প্যাকেজ।

 

Emon Bin Korshed বলেছেনঃ

বাংলাদেশের সকল ইসলামী দলগুলো বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত এবং দেখা যায় বিভিন্ন ইসলামী দলগুলো বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত অথবা জালিম নাস্তিকদের দালালিতে লিপ্ত। সেখানে জামায়াতে ইসলামী পুরোটাই ভিন্নযেমন এই পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আমীর নির্বাচন থেকে শুরু করে শাখা নির্বাচনে পর্যন্ত জামায়াতের দু পক্ষের বিভক্তের কোন নজির নেই কিংবা কোন মিছিল মিটিং এ জামায়াতের দু পক্ষের কোন সংঘর্ষের নজির নেই। এ থেকেই বুঝা যায় জামায়াত স্বার্থ কিংবা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেনা।

এরপর দেখেন বিশ্বে মায়ানমার থেকে শুরু করে ফ্রান্স কিংবা যত দেশে মুসলিমদের নির্যাতন করা হয় রাসূল (সাঃ) অবমাননা করা হয় তখন জামায়াতই সবার আগে রাজপথে জুড়ালো প্রতিবাদ করে। অথচ এই জামায়াতের অফিস থেকে শুরু করে রাজপথে বিনা অনুমতিতে মিছিল মিটিং সব করা বন্ধ,তবুও শত বাধাকে পিছনে ফেলে এই জামায়াতই সবার আগে প্রতিবাদ করে আর নামধারী ইসলামী দলগুলো পোলাও মাংস খেয়ে শরীর তাজা হলে জামায়াতকে রাজপথে দেখার পর তাদের হুস ফিরে। এরপর দেখেন দেশের যে কোন স্থানে যখন বড় কোন দূর্ঘটনা কিংবা বড় কোন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে সেখানে জামায়াতই সবার আগে আর্থিক সহযোগিতা এবং শান্তনা দিতে পৌঁছাই,শুধু পৌঁছে যায় তাই নয় জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমীর নিজেই গিয়ে এই সহযোগিতা করেন,চিন্তা করতে পারেন জনগণের প্রতি কতটুকু দরদ থাকলে একটি জনপ্রিয় ইসলামী দলের কেন্দ্রীয় আমীর শয়ং নিজেই

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে গিয়ে দাড়াতে পারেনঅথচ এই জামায়াতের ইসলামী ব্যাংক থেকে শুরু করে প্রায় সব বড় ব্যবসা প্রতিষ্টানগুলো সরকারের দখলে এখন তবুও জামায়াত মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা করা থেমে নেই। নিশ্চয়ই এর পিছনে আল্লাহই বড় সাহায্যেকারী। আর জনগণের এমন দুঃসময়ে দেশের অন্য ইসলামী দলগুলো তো দূরের কথা ভোট ভিক্ষা চাইতে আসা আওয়ামীলীগ বিএনপিকেও পাশে দেখা যায় না।

এরপর দেখেন জামায়াতই একমাত্র দল বাংলাদেশে যারা নিজেদের টাকা দিয়েই সকল কাজ করেঅন্য দলগুলো দেখবেন বাতিলের দালালি নইতো রাষ্ট্রের সম্পদ লুট করে নইতো জনগণের উপর চাদাবাজি টেন্ডারবাজি এইগুলো করে রাজনীতি করে।

এরপর দেখেন জামায়াতই একমাত্র দল বাংলাদেশে যে দলের একজন কর্মীকে নিয়মিত দৈনিক তার নামায পড়া,কোরআন পড়াহাদীস পড়া আরও বিভিন্ন বিষয়ে রুটিন লিখতে হয় এবং মাস শেষে কোন কাজ বাদ পড়লে দায়িত্বশীলের মুখোমুখি জবাবদিহি করতে হয়।এমন গুরুত্বের সাথে কর্মী তৈরি করার নজির বাংলাদেশে কোন দলের নেই। দিও বাংলাদেশের দু একটি দল মনেহয় জামায়াত থেকে দেখার পর এই মাসিক রুটিন চালু করেছে। এরপর দেখেন দেশের সব দলগুলার মিটিং মিছিলে অন্য দলকে ঘায়েল করার কৌশল শেখানো হয় সেখানে জামায়াত পুরোটাই ভিন্ন। জামায়াতের প্রতিটি পোগ্রামে কোরআন এবং হাদীস থেকে নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং একজন কর্মীকে দুনিয়ার জিবনে আদর্শিক চরিত্র গঠনের পাশাপাশি আখিরাতে একজন জান্নাত উপযোগী বান্দা হিসেবে গড়ে তোলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়এই সব বিষয় বিবেচনা করে আমি মনে করি জামায়াতই বাংলার জমিনে পরিপূর্ণ একটি হক ইসলামী দল এবং এই দলের সাথে একজন কর্মী হিসেবে সকল ইসলামী আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রেখে দুনিয়া এবং আখিরাতে মুক্তি পাওয়ার উদ্দেশ্যে আমি জামায়াত করতেই পারি। ইমন বিন খোরশেদ

 

মরিয়ম মাহবুবা বলেছেনঃ

আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন আমাদের পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য।তাই আমাকে এমন একটি দলের সাথে জড়িত হতে হবে যে দল দ্বীন বিজয়ের জন্য সর্বোচ্চ কাজ করছে। কিন্তু সমস্যার বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশে অনেকগুলো ইসলামীক দল আছে যারা ইসলামের জন্য কাজ করছে। এর মধ্যে কোন দল শুধু মাত্র আল্লাহর দাওয়াত ও দ্বীন বিজয়ের জন্য কাজ করছে সেটা খুঁজে বের করা মুশকিল।

আর প্রকৃত ইসলামীক দল যারা দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে সেটা খুঁজে বের করতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে কোরআনুল কারিমে।

প্রথমত, আল্লাহ্ সূরা আল ইমরানের ১০৪ নাম্বার আয়াতে বলেছেন “তোমাদের মধ্যে অবশ্যই এমন একদল লোক থাকতে হবে যারা মানুষকে সৎ কাজের দিকে আহ্বান করবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে।” কোরআনের এ আয়াতের আলোকে খুঁজে বের করতে হবে বাংলাদেশের কোন ইসলামীক দল সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করে।আমাকে সেই দলটাই বেঁচে নিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আল ইমরানের ১১০ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে,এখন তোমারই দুনিয়ার সর্বোত্তম লোক। তোমাদের দুনিয়ায়পাঠানো হয়েছে মানুষের হেদায়াত ও সংস্কারের জন্য “” এখান থেকে আমাকে দেখতে হবে সমসাময়িক ইসলামীক দলগুলোর মধ্যে কোন দলটি আমাকে দ্বীনের দাওয়াত দেয়দ্বীনের সঠিক অর্থটা আমাকে বুঝায়,আমাকে প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে শুধু মাত্র এক আল্লাহর ইবাদাত করতে বলা হয়,আমাকে পৃথিবীতে বিধান দাতা হিসেবে আল্লাহকেই মানতে বলে [আল্লাহকে মানা বলতে জীবনের সবচেয়ে কনিষ্ঠ বিষয় থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা বিষয়েই নিজের স্বার্থের চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া ]আমাকে সেই দলটাই বেঁচে নিতে হবে।

তৃতীয়ত, যে দল আল্লাহর রাসূলের আদর্শকে নিজেদের আদর্শ করে নিয়েছে।রাসূলের আদর্শকে গ্রহণ করার মানে এই নয় যে শুধু মাত্র মুখে ও সংবিধানে লিখে নিলেই হলো।আমাকে দেখতে হবে রাসূলের আদর্শ বাস্তবায়ন
করতে কোন দলের জনশক্তি শরীর থেকে রক্ত জড়িয়েছে
,কোন দলের নেতা কর্মীরা শাহাদাত বরণ করেছেন এবং পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।আমাকে দেখতে হবে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কোন দলের নেতা কর্মিকে জেল খাটতে হয়েছে এবং হিজরত করতে হয়েছে।কোন দলকে/দলের মানুষদের মিথ্যা,ভিত্তিহীন বানোয়াট জঘন্য উপাধি দেয়া হয়েছে। আমাকে সেই দলটাই বেঁচে নিতে হবে।

চতুর্থত, আমাকে দেখতে হবে ইসলামীক দলগুলোর মধ্যে কোন দলটি মানুষকে দুনিয়া আখেরাত দুই জায়গার সফলতার কথা বলে। শুধু মাত্র দুনিয়ামুখি কিবা শুধু মাত্র আখেরাতমুখি না বরং যে দলটি দুনিয়াতে ও আখেরাতে
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ও সফলতার পথটি দেখিয়ে দেয়।দুনিয়ার জীবনে একজন আদর্শ মানুষ হবার শিক্ষা দেয়
,মানুষের পছন্দনীয় মানুষ গড়ে তুলতে চায়। আমাকে সেই দলটাই বেঁচে নিতে হবে। বাংলাদেশের প্রতিটি ইসলামীক দলই চায় ইসলামী রাষ্ট্র হোক। এবং তার জন্য প্রতিটি দলই ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে কাজ করে যাচ্ছে।সব দল বিশ্লেষণ করে দ্বীন বিজয়ের সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি যে দলের সেই দলটাকেই আমাকে বেচে নিতে হবে।

আর এইসব দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশে যে দলটির মধ্যে এইসব গুনাবলি আছে সেই দলটিকেই আমি সাপোর্ট করি।

 

Foisal Uddin বলেছেনঃ

আসসালামু আলাইকুম মুহতারাম

আমি আপনার এই সুন্দর প্রশ্নটির একটা ছোট্ট উত্তর দিয়েছিলাম। কিন্তু একটা কথা না বললেই নয় তাই আবার লেখলাম। দয়া করে ক্ষমা করবেন। বাংলাদেশে এত গুলো ইসলামি দল থাকলেও আমি অবশ্যই জামায়াতে

ইসলামীকে ভালো বাসবো কারণ জামায়াতে ইসলামীই পরীক্ষিত প্রকৃত ইসলামি সংগঠন। প্রমাণ হলঃ

আমি যদি আগুন চিনতে চাই তাহলে দেখবো আগুনের ধর্ম হল সংস্পর্শে আসা সকল দাহ্য বস্তু কে জালিয়ে ফেলা। অর্থাৎ, আমি যদি আগুনের সংস্পর্শে কোন কাগজ ধরে রাখি প্রকৃত আগুন অবশ্যই সেটিকে জ্বালিয়ে ফেলবে। কিন্তু আমি যদি দেখি কাগজ টি পুড়ছে না তাহলে বুঝতে হবে সেটা প্রকৃত আগুন নয়। পঁচা ডোবায় জমে থাকা মিথেন গ্যাস (আলেয়ার আলো) যা হঠাৎ জ্বলে উঠে সাথে সাথে নিভে যায়। তেমনি একমাত্র জামায়াতে ইসলামীকে দেখলে বাতিলের গাত্র দাহ শুরু হয়।বাংলাদেশে সকল ইসলামি দল সভা -সমাবেশ নির্বিঘ্নে করতে পারলেও কেবল মাত্র জামায়াতের বেলায় বাতিলের কলিজা জ্বলে উঠে।  জামায়াতে ইসলামীরসংবিধানে লেখা আছে “আল্লাহ সকল ক্ষমতার উৎস” কিন্তু দেশের সংবিধানে “জনগন সকল ক্ষমতার উৎস” লেখা থাকায় বিষয়টি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক মনে করে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। তাহলে অন্যান্য ইসলামি সংগঠনের তো একই কারণে নিবন্ধন বাতিল করার কথা।

কিন্তু তা করেনি কারণ বাতিল দেখেছে একমাত্র জামায়াতে ইসলামী বাংলার জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম। ওয়াক্বাতিলুহু হাত্তা লা তাকুনা ফিতনাতু……… আল্লাহ হাফেজ

 

Anjum Hasan বলেছেনঃ

………………..আর যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার করে না তারা কাফের __ সুরা মায়েদাআয়াত 44

মুফাস্সিরিনে কেরাম উপরোক্ত আয়াতের তাফসীর করতে গিয়ে বলেন, যারা মনে করে_____

1 আল্লাহর আইন অনুযায়ী বিচার করা ওয়াজিব না

2 , আধুনিক যুগে ইসলামী আইন অচল

3, ইসলামী আইনের তুলনায় অন্য আইন সুন্দর ( আল ইয়াজু বিল্লাহ )

এরূপ কোন একটি বিশ্বাস থাকলেই তাদের কে কাফের এবং মুরতাদ হিসেবে গন্য করা হবে পক্ষান্তরে কারো যদি ইসলামী আইনের উপর আস্থা ও বিশ্বাস থাকে কিন্তু অন্য কোন কারনে যেমন ঘুষ বা সরকারী চাপে কোরআন সুন্নাহ এর বিপরীতে ফায়সালা দেয় এবং মনে করে যে, সে ভুল এবং পাপ করতেছে। তাহলে এমতাবস্থায় সে কাফের হবে না ঠিক কিন্তু ফাসেক এবং জালিম হিসেবে গন্য হবে এবং বড় গুনাগার হবে। এবার আসুন একটা হাদিসের প্রতি লক্ষ্য করি

রাসুল সা বলেন

…….তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোন খারাপ কাজ হতে দেখলো সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিহত/ পরিবর্তন করে

যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে মুখ দিয়ে প্রতিহত করে। তাও যদি সম্ভব না হয় তাহলে মনে মনে পরিবর্তনের প্লান করে উপরোক্ত হাদিসের উপর ভিত্তি করে সকল মুহাদ্দিসিনে কেরাম এ ব্যাপারে একমত যে,

কোন খারাপ কাজ হতে দেখলে পদ্ধতির যেকোনো এক পদ্ধতিতে ব্যক্তির সামর্থ্য অনুযায়ী সেই খারাপ কাজ تغيير  (তাগয়ীর ) প্রতিহত/ পরিবর্তন করা ওয়াজিব 

1, শক্তি পাওয়ার ক্ষমতা, জনবল বা আইনিভাবে

2, জবান বা লেখালেখি কিংবা প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে

3, মনে মনে পরিকল্পনা করে। এবার আসা যাক মুল কথায় অর্থাত্ আয়াতের দিকে।

আল্লাহ্ তায়ালা বলছেন কোরআনের আইন বাস্তবায়ন করতে এবং সে অনুযায়ী বিচার কার্য পরিচালনা করতে।

এমতাবস্থায় কোন রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থা যদি কোরআন সুন্নাহ বিপরীত হয় তাহলে সেই ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন করা বা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাওয়া ওয়াজিব আর জামায়াতে ইসলামী সেই প্রচেষ্টা ই করে যাচ্ছে। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী খিলাফাহ ভিত্তিক রাষ্ট্র কায়েমের সংগ্রাম করে যাচ্ছে খুবই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ইসলামী শরিয়াহ অনুসারে যাদের মূল সংবিধান হচ্ছে কোরআন হাদিস্ আর আদর্শ হচ্ছে সর্ব যুগের শ্রেষ্ঠ মহামানব মহান সংগঠক, মহা রাষ্ট্র নায়ক রাসুলে কারিম সা:

যে দলের সংবিধান কোরআন সুন্নাহ আর আদর্শ হচ্ছে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই দল করার জন্য আর কোন যুক্তি প্রমাণ খোঁজার দরকার নেই

 

MD Azizul Islam বলেছেনঃ

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যতগুলো ইসলামিক দল রয়েছে তার মধ্যে একমাত্র জামায়াত ইসলাম আল্লাহর কুরআন এবং রাসুলের সুন্নাহ কে বিদায়াতমুক্ত ভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আর একটি ইসলামিক রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য জামায়াত ইসলামকে যোগ্য মনে হচ্ছে সেই জন্য আমরা জামায়াত ইসলাম সমর্থন করে যাচ্ছি।

 

Md Mustakim বলেছেনঃ

জামায়াত নির্ভুল ইসলামি দল দাবি করিনা ত্রুটি কিছু থাকবেই কারন তা সরাসরি ওহি দ্বারা পরিচালিত না নবীর মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার,পরিছন্ন,ইলম-আমল,এখলাস ও ইমানী পরিক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ একটি দল। সৎ মানুষ, যোগ্য নেতৃিত্বের মাধ্যমে ইসলাম ও দেশের কল্যানে আগামীর সুন্দর একটি জাতী ও সমাজ উপহারের জন্য জামায়াতে ইসলামির বিকল্প আপাতত দেখি না।

 

Md Mehedi Hashan বলেছেনঃ

জামায়াত একেবারেই নির্ভুল ইসলামি দল দাবি করিনা ত্রুটি কিছু থাকবেই কারন তা সরাসরি ওহি দ্বারা নবীর মাধ্যমে পরিচালিত না। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার, পরিছন্ন, ইলম-আমল, এখলাছ ও ঈমানী পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ একটি দল। সৎ মানুষ, যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে ইসলাম ও দেশের কল্যানে আগামীর সুন্দর একটি জাতী ও সমাজ উপাহারের জন্য জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প আপাতত দেখিনা।

 

MD Rakib Hasan বলেছেনঃ

জামায়াত নির্ভুল ইসলামি দল দাবি করিনা ত্রুটি কিছু থাকবেই কারন তা সরাসরি ওহি দ্বারা পরিচালিত না নবীর মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার,পরিছন্ন,ইলম-আমল,এখলাস ও ইমানী পরিক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ একটি দল। সৎ মানুষ, যোগ্য নেতৃিত্বের মাধ্যমে ইসলাম ও দেশের কল্যানে আগামীর সুন্দর একটি জাতী ও সমাজ উপহারের জন্য জামায়াতে ইসলামির বিকল্প আপাতত দেখি না। তাই এই কাফেলায় শামিল হয়েছি।

 

Nazrul Islam বলেছেনঃ

জামায়াত নির্ভুল ইসলামি দল দাবি করিনা ত্রুটি কিছু থাকবেই কারন তা সরাসরি ওহি দ্বারা পরিচালিত না নবীর মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার,পরিছন্ন,ইলম-আমল,এখলাস ও ইমানী পরিক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ একটি দল। সৎ মানুষ, যোগ্য নেতৃিত্বের মাধ্যমে ইসলাম ও দেশের কল্যানে আগামীর সুন্দর একটি জাতী ও সমাজ উপহারের জন্য জামায়াতে ইসলামির বিকল্প আপাতত দেখি না। — Masud Rana

 

ওমর ফারুক রুবেল বলেছেনঃ

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যতগুলো ইসলামিক দল রয়েছে তার মধ্যে একমাত্র জামায়াত ইসলাম আল্লাহর কুরআন এবং রাসুলের সুন্নাহ কে বিদায়াতমুক্ত ভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আর একটি ইসলামিক রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য জামায়াত ইসলামকে যোগ্য মনে হচ্ছে সেই জন্য আমরা জামায়াত ইসলাম সমর্থন করে যাচ্ছি।

বাস্তবসত্য হলো এই যে জামাতে ইসলামের নেতাকর্মীদের জীবনকাহিনীগুলো সরাসরি দেখেও অনেককের জীবনচলার পথগুলো যখন দেখি সাথে সাথে মিলিয়ে দেখি সাহাবীদের জীবনের সাথে মিলে যায় এজন্যই বেশি ভালো লাগে।

 

Kobi Asad বলেছেনঃ

(নিজের ক্ষুদ্র জ্ঞানে লেখার চেষ্টা, ভুলভ্রান্তির ক্ষমাপ্রার্থী) পৃথিবীতে গণতান্ত্রিক যে দেশ সবচে শান্তির দেশ সে দেশে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল থাকে। অনুরূপ ভাবেপৃথিবীতে সবচে অশান্তি, অরাজক দেশেও একের অধিক রাজনৈতিক দল আছে। তবে শান্তি বিরাজ করুক আর অশান্তি বিরাজ – যেটাই করুক না কেন সেসকল দেশের মানুষ কিন্তু কোনো না কোনো দলের ছাতার তলে অবস্থান করে। একটা উদাহরণ টানছি প্রিয় রাকিবুল এহছান মিনার ভাইধরুন, ফকির নামের এক লোক এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে কোনো এক পরিবেশে বন্দী অবস্থায় আছে যে – তাকে জীবন বাঁচানোর জন্য তার সামনে রাখা খাবার(ওই মুহূর্তের খাবার) খেয়েই জীবন বাঁচাতে হবে। ধরে নিলাম তার সামনে ওই মুহূর্তে রাখা আছে মুরগির বিষ্ঠা, কুকুরের বিষ্ঠা আর শুকুরের বিষ্ঠা। তাহলে সে কোনটা খেয়ে জীবন বাঁচাবে? একটা তো খেতেই হবে। হুম, সে হয়তো এই তিনটার মধ্যে একটু ভালোটা (যদিও সব ই খাওয়ার অযোগ্য) অর্থ্যাৎ মুরগির বিষ্ঠাই খাবে। বাচবে। আবার এই ফকিরই অন্য আরেক পরিবেশে সুযোগ পেলো তার সামনে রাখা আলু ভর্তা ভাত, শুধু ডাল ভাত আর কাচ্চি বিরিয়ানি ,এই তিনটার একটি খাওয়ার। বোঝাই যাচ্ছে সে কাচ্চি বিরিয়ানি ই খাবে।

প্রথম ঘটনা টাকে একেবারে অরাজক দেশের রাজনীতি আর দ্বিতীয় খাবার পরিবেশন ঘটনাকে শান্তির দেশ কল্পনা করা যাক। তাতেই বোধগম্য হবে হয়তো। এখন আমাদের দেশের কথায় আসি – আমাদের দেশে যে কয়টি রাজনৈতিক দল আছে সেগুলো কে প্রথম ঘটনার সাথে কল্পনা করলে মুরগির বিষ্ঠা আর দ্বিতীয় ঘটনার সাথে কল্পনা করলে কাচ্চি বিরিয়ানি হবে হয়ত একমাত্র জামায়াতে ইসলামী দলটি। বাকি সবাই বাকী খাবার গুলোর বৈশিষ্ট্য বহন করে চলে হয়ত। এজন্যই উক্ত ভূখণ্ডে জীবন টাকে অতিবাহিত যেহেতু করতে হবেই তাহলে একটা না একটা তো নির্ধারণ করতেই হবে। তাই জামায়াতে ইসলামী দলটির বিকল্প নাই। ছোট্ট করে কারণ বলি – বাংলাদেশে যে কয়টি ইসলামিক দল আছে তার মধ্যে পুরোপুরি শামিল না হতে পারলেও অনেক টাই ইসলামের মধ্যে শামিল হতে পেরেছে বাংলাদেশের “জামায়াতে ইসলামী” দলটি। ধন্যবাদ।

 

Rustum Ali বলেছেনঃ

প্রতিটা রাজনৈতিক দলের একটা সোনালি অতীত আছে, জামাত শিবির ও তার ব্যাতিক্রম নয়। আমি কেন জামাত শিবির করি?? যখন আমি মহান সংগঠনের সমর্থক হই তখন থেকে এই প্রশ্নটা আমার মাথায় ঘুরপাক খেতো। এর উত্তর পেতে আমি আমাদের 

#আল্লামা_দেলোয়ার_হোসেন_সাঈদি এর #আমি_কেন_জামাত_শিবির_করি বইটি পড়ি। আলহামদুলিল্লাহ আমার মনের ভিতর অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ করলাম। তবে আমি আমার মতো করে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছিদেশের বৃহৎ দলীয় সংগঠনগুলোর দিকে তাকালে প্রতিয়মান হয় – তারা তাদের লক্ষ থেকে বিচ্যুত হয়েছে,

তাদের নিজেদের মধ্যে অনৈক্য জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রাজনীতি নিয়ে দাম্ভিকতা করে বেড়াচ্ছে। তারা নিজেদের মধ্যে মারমারি টেন্ডারবাজি,খুন এবং ধর্ষণ অস্ত্রের রাজনীতি করে বেড়াচ্ছে ঠিক তখনো একটা কোনঠাসা রাজনৈতিক দল নিজেদের লক্ষ্যে অটুট থেকে যোগ্য ও মেধাবী ছাত্রদের নিয়ে রাজনীতির নৈতিকতা ঊর্ধ্বগামি করছে। আজ এমন পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে যেন ছাত্ররাজনীতি নাম শুনলে ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের চেহারা ভেসে উঠে আর তার বিপরীতে ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারা নিয়ে একগুচ্ছ কোরআনপ্রেমী স্বদেশপ্রেমে উদ্ধৃত হয়ে দেশে কুরআনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। আর সেই সংগঠন #বাংলাদেশ_ইসলামি_ছাত্রশিবির

 

Md Farid Uddin বলেছেনঃ

আল্লাহ তায়ালা বলেন “তোমরা আল্লাহর রুজুকে শক্তভাবে আকড়ে ধরো পরস্পর বিচ্ছিন্ন হইয়ো নাএই আয়াতে আল্লাহর রুজুকে আঁকড়ে ধরার জন্য জামায়েতে ইসলাম সর্বপ্রথম এগিয়ে আলহামদুলিল্লাহ,, বাংলাদেশের অন্যান্য দলগুলো শুধু নিজ দলকেই ভালোবাসে আর বাকি দলগুলোকে মনে করে সঠিক নয়।কিন্তু একমাত্র জামায়াতে ইসলামী নিজ দলকে ভালোবাসার পাশাপাশি অন্যদলকেও সন্মান করেসারা পৃথিবীর বুকে আল্লাহ ও তার রাসুলের বিধান প্রতিষ্ঠিত করা যে সংগঠন অসৎ, অদক্ষ ছাএকে সৎ দক্ষ ও একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে তৈরী করে।।।। অবশ্যই আমি সেই সংগঠনের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।

 

Muhammad Ayaan Hamza BinKabir বলেছেনঃ

সত্যি বলতে আমি জামায়াত কিংবা শিবির সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না।কখনো কখনো তাদের নাম শুনলেই ভয় পেতাম। তারপড় একদিন তাবলীগ জামাতের সাথে পরিচয় হলো আমাকে দাওয়াত দিলো আমিও আল্লাহর অনুগ্রহে দাওয়াত কবুল করলাম।আর ফাযায়েলে আমল বইটা নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করি। আর মাঝে মাঝে কোরআন থেকে কিছু জানার চেষ্টা করি। এক সময় দেখা গেল আমিও মানুষকে দাওয়াত দিতে শুরু করলাম।তো মাঝেমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গুম খুনের খবর শুনে খুব কষ্ট লাগত। তখন আওয়ামী লীগের কিছু ভাইদের সাথে কথা বলার সময় মাঝে মাঝে এই বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলতাম আর কথার সাথে কোরআন, হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে কথা বলতাম। তো এইভাবে করতে করতে কোরআনের আইন সংক্রান্ত কিছু আয়াতও আমার জানা হল। অত:পর আমি আওয়ামীলীগের ভাইদের সাথে কথা বলার সময় কোরআনের আইন সম্পর্কে রেফারেন্স দিয়ে কথা বলতাম। তখনও আমি জামাত শিবিরের বিষয়ে কিছু জানিনা।এইভাবে কথা বলার সময় ওরা আমাকে জামাত শিবির বলে গালি দিতো। অথচ আমি এই নাম শুনলেই ভয় পেতাম। কিন্তু তাদের সাথে কথা বললেই তারা আমাকে জামাত শিবির বলে গালি দিতো। কিন্তু আমি তখনও তাবলীগ জামাতের সাথে সম্পৃক্ত। হঠাৎ একদিন আমি জামাত শিবির সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। এবং ভালো লাগলো তাদের লক্ষ সম্পর্কে জেনে। আবার যখন অন্য আরেকদিন আওয়ামীলীগের ভাইদের সাথে কথা বলি কোরআন হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে তখন তারা আমাকে আবারো জামাত-শিবির বলে গালি দেয় তখন আমি চিন্তা করলাম আমি কোরআনের আয়াত পড়লে এইটা জামাত-শিবির বলার কি আছে আবার জামাত-শিবির ছাড়া অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর নাম নিয়ে কেন আমাকে বলে না খালি জামাত-শিবিরই বলে চরমোনাই কিংবা হেফাজত ইসলাম এগুলো বলে গালি দেয় না কেন কোরআনের কথা বললেই জামাত-শিবির তখন আমি বুঝতে পারলাম জামাত-শিবিরই একমাত্র হকের পথে অতঃপর আমি তাদেরকে ভালোবাসতে শুরু করলাম এখন আমি জামাত শিবিরের ভাইদেরকে অনেক ভালোবাসি।এবং দেশে আসলেই জামায়াতে ইসলামী আন্দোলনের যোগদান করব ইনশাআল্লাহ।

 

Anwar Anwar বলেছেনঃ

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ দক্ষ ও দেশপ্রেমিক হিসাবে গড়ে তোলার জন্য

 

মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেছেনঃ

আমি কেন জামায়াতে ইসলাম করি, বা আমরা কেন জামায়াতে ইসলাম করবো: কারণজামায়াত এমন একটি দ্বীনি কাফেলা, যারা পায়ের তালু থেকে মাথার চুল পর্যন্ত, ঘর থেকে রাষ্ট্র পর্যন্ত জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে(আমি, আমার স্ত্রী-সন্তান তথা আমার পুরো পরিবার) সমাজের প্রত্যেত সেক্টরে (যেমন: ইসলামী রাজনীতি, অর্থ নীতি, সংস্কৃতি, বিচারালয় এবং সমাজনীতি) আল্লাহ তায়ালার বিধি বিধান, নিয়ম কানুন মেনে চলার জন্য মানুষকে আহবান করে এবং নিজেরা এর চর্চা করে। ইসলাম যে পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা, এটা জামায়াত শিখিয়েছে এবং এ আলোকেই সমাজ ও রাষ্ট্রে কাজ করে যাচ্ছে।

আল্লাহ বলেন: হে ঈমানদারগণ! তোমরা পুরোপুরি ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের অনুসারী হয়ো না, কেননা সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন। (সূরা-বাক্বারা-২০৮)

আল্লাহর এ আদেশ অনুযায়ী জামায়াত মানুষকে সকল ক্ষেত্রে, সকল কাজে ইসলামের অনুশরণ ও অনুকরণের দাওয়াত দেয়। ইসলাম যেমন মানুষের জান, মাল, ইজ্জত-আব্রু রক্ষা ও নিরাপত্তার গ্যারান্টি দেয়জামায়াত সেই চাঁছে মানুষকে তৈরী করার জন্য কুরআন সুন্নাহ ও কুরআন সুন্নাহ নির্ভর ইসলামী সাহিত্য দিয়ে সেই আদর্শের মানুষ তৈরীর কাজ করে যাচ্ছে। ইসলামের ব্যাপ্তি যেমন বিশাল ও বিস্তৃত, জামায়াতও তেমন উদার মানষিকতা নিয়ে ইসলামের বিশাল বিস্তৃত ও সু-মহান ন্যায়নীতির শিতল ছায়ায় মানুষকে ডাকে। কঠিন সমালোচনাকারীকে জামায়াত পরম বন্ধু হিসেবে মনে করে, তাদের কল্যাণার্থে দোয়া করে। এ ছাড়াও বর্তমানে জামায়াতই একমাত্র সংগঠন, যারা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তৈরী করা নিজেদের গঠনতন্ত্রকে ১০০% ফলো করে পরিচালিত হচ্ছে।

মানুষের কল্যাণে মানুষ দিয়ে পরিচালিত সংগঠনের কিছু ভূলত্রুটি থাকবেই এবং সে ভূল থেকে সংশোধিত হয়ে এগিয়েও যাবে। জামায়াত এ ক্ষেত্রে যৌক্তিক সমালোচনাকারীকে শুভাকাঙ্ক্ষী মনে করে। আমি যেহেতু জামায়াতের সিলেবাস সমূহ ও গঠনতন্ত্র পড়েছি এবং তাদের কর্মকাণ্ডের সাথে মোটামুটি সক্রিয় আছিতাই

আমি বলতে পারি, জামায়াতের কর্মকাণ্ড শুধু বই-পুস্তকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাস্তবেও ময়দানের জনশক্তিকে সেই মানে তৈরী করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। 

আমি মনে করিজামায়াতে ইসলামীর বিকল্প বা তার থেকেও ভালো (কুরআন ও সুন্নাহর মানদন্ডে)কোন সংগঠন আমি খুঁজে পাইনি, আর তাই আমি জামায়াতে ইসলামীকে অন্তর থেকে ভালোবাসি এবং যতটুকু পারি আন্তরিকতার সাথে কাজ করার চেষ্টা করি।

 

আরিয়ানা রাহি বলেছেনঃ

আল্লাহ কি বলেছেন? ” রাসুল কি করেছেন? ” সে অনুযায়ী আমাকে চলতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন –

“(তোমরা) নামাজ কে প্রতিষ্ঠা করো !” সেই আল্লাহ তায়ালাই আবার বলেছেন,- “(তোমরা) দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করো, এ ব্যাপারে কোন মতপার্থক্য সৃষ্টি করোনা। ” নামায আদায় করা যেমন ফরজতেমনি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী ব্যক্তি,পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা করাও ফরজ। সেই ফরজ দায়িত্ব পালনের জন্য কোন একটি দলে শরিক না হয়ে একাকী করা সম্ভব নয়। সমাজ, রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য যোগ্যতা থাকতে হয়। জানতে হয়, পড়তে হয়। এ আন্দোলন কে পরিচালনা করার জন্য পত্রিকা থাকতে হয়সাহিত্য থাকতে হয়,বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করতে হয়। জামাত ইসলামী এমন একটি দল যার অঙ্গ সংগঠন আছে অনেকগুলো। যারা শ্রমিকদের জন্য কাজ করছেনারীদের জন্য কাজ করছে,অমুসলিম নাগরিকদের জন্য কাজ করছে, প্রসাশনের জন্য কাজ করছে, ছাত্র-ছাত্রী, চাষী, সর্ব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করছে। তাদের সাহিত্যের একটি ভান্ডার আছে, বিভিন্ন পত্র পত্রিকা,বাংলা ইংরেজি, আরবী, ছাত্র সংগঠন ইত্যাদি ইত্যাদি ।

জামায়াত ইসলামী আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসুল (সাঃ) প্রদর্শিত পথ ও পন্থায় আল্লাহর জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য
কাজ করে যাচ্ছে। তারা একাজ করতে গিয়ে দেখেনি কোন পীর কি বলেছে
, কোন বুজুর্গ কি করেছে।

তারা দেখেছেন, “আল্লাহ কি বলেছেন আর রাসুল সাঃ কি করেছেন”।

তাই তারা পীরতান্ত্রীক নয়। তারা ব্যক্তির স্বার্থের চেয়ে সংগঠনকে খুব বেশি গুরুত্বদেয়। অনেক ইসলামী সংগঠনে আমির নির্বাচন করতে দলীয় ক্রোন্দল ও আমরা দেখতে পেয়েছি । আবার অনেক ইসলামী দলে দেখতে পেয়েছি পীরের ছেলেকে পীর হতে ।কিন্তু জামায়াতে সেটা দেখা যায়না ।

জামায়াতে যোগ্যতার ভিত্তিতে আমীর নির্বাচন করা হয়। আবার নির্বাচনের সময় দলীয় ক্রোন্দল ও দেখা যায়না।
একমাত্র
জামায়াত ইসলাম অন্য কোন ইসলামীক সংগঠনের সমালোচনা করেনা।

আমি সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণীত হয়েছি জামায়াত প্রতিষ্ঠাতা জনাব সাঈয়্যেদ আবুল আলা মাওদুদী (রহ.) এর -সত্যের সাক্ষ বইটি পড়ে। বইটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন : মুসলিম হিসেবে আপনাকে অবশ্যই সংগঠন ভুক্ত হতে হবে। সংগঠন করা নামাজ- রোজার মতো একটি ফরজ কাজ। তিনি বলেছেন, আপনার যদি ভালো মনে হয় তাহলে জামায়াতের সাথে যোগ দিন । আর যদি মনে হয় জামায়াতসঠিক ভাবে কুরআন হাদিস ভিত্তিক কাজ করছেনা । তাহলে কোন দলটি সব থেকে সঠিক বলে মনে হয় সেই দলে যোগদিন । আর যদি একটিও সঠিক বলে মনে না হয়, তাহলে সঠিক পন্থায় আপনি একটি দল তৈরি করুন। এর পরও আপনাকে সংগঠন করতে হবে।” একমাত্র জামায়াতে ইসলামীযারা সব ধরণের অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও কথা বলে। তারা দ্বীনের সঠিক কথা গুলো বলতে গিয়ে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করেনা।

তারা ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে হাসি মুখে ফাঁশির রশিকে আলিঙ্গন করেছেন কিন্তু বাতিলের কাছে মাথা নত করেনি। ইসলাম অনুযায়ী দেশকে পরিচালনা করতে হলে, এমন একটি যোগ্যতা সম্পন্ন সুশৃংখল ইসলামী সংগঠন প্রয়োজন। তাই আমি জামায়াতে ইসলাম কে পছন্দ করি,আমি এ সংগঠনের একজন কর্মী।

আলহামদুলিল্লাহ ! যতোদিন বেঁচে থাকবো আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ ! আরিয়ানা রাহি নুর

 

Faruk Ahmed বলেছেনঃ

গুণিদদের ভিড়েআমি শিখতে আসছি

 

Ismail Ishak বলেছেনঃ

একমাত্র সুদূ আললাহুকে রাজি হুসি করা জন্যে 

 

Abdullah Al Mamun বলেছেনঃ

১.পরিবারতন্ত্রের প্রভাব নেই,

২.কোন ইসলামী দলেরর সমালোচনা করেনা।

৩.কর্মীদের মধ্যে পদ পাওয়ার প্রতিযোগীতা নেই।

 

আমি কেন জামায়াত করি? পোষ্টটিতে আমি Muhammad Nazrul Islam একটি মন্তব্য লিখেছিলাম আর তা হলোঃ

জামায়াতে ইসলামী অন্যান্য ইসলামী দলের_মাঝে নিম্নোক্ত মৌলিক পার্থক্যের কারণে আপনি জামায়াতে
ইসলামীই করবেন। যেমনঃ

ক. জামায়াতে ইসলামী কোন ব্যক্তির একক নির্দেশে পরিচালিক হয়না। অন্যান্য ইসলামী দলের প্রায় সবকটি কোন না কোন ব্যক্তির নেতৃত্বে এবং একেকজন বিশেষ ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত ।

খ. জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের সন্তানেরা সংগঠনে কোন বিশেষ মর্যাদার অধিকারী নন। অন্যান্য ইসলামী দলে মূল নেতার সন্তান বা সন্তানেরা বিশেষ মর্যাদার অধিকারী এবং ঐ নেতার অবর্তমানে তার সন্তানেরা প্রায়শই দলের মূল দায়িত্ব পেয়ে থাকেন।

গ. জামায়াতে ইসলামীতে নেতার আনুগত্যের একটি ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে, যার কারণে নেতৃবৃন্দ স্বভাবতই স্বতঃস্ফূর্ত মর্যাদার অধিকারী। অন্যান্য ইসলামী দলের সে ঐতিহ্য নেই এবং মূল নেতা ছাড়া প্রায় সবাই-ই সে মর্যাদা পান না।

ঘ. জামায়াতে ইসলামীতে রয়েছে সংস্কার ও সংশোধনের উদ্দেশ্যে একটি সুনির্দিষ্ট মুহাসাবা’ পদ্ধতি। অন্যান্য ইসলামী দলে মুহাসাবার কোন প্রেকটিস নেই।

ঙ. জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্র থেকে তৃণমূল অবধি পরিচালিত হয় সর্বস্তরের জনশক্তির পরামর্শের ভিত্তিতে। অন্যান্য ইসলামী সংগঠন পরিচালিত হয় একক নেতৃত্বের নির্দেশে।

চ. জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীলেরা সর্বাবস্তায় কোন না কোন ফোরামের নিকট জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ। অন্যান্য ইসলামী দলের দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতার কোন ব্যবস্থা নেই।

ছ. জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্ব নির্বাচিত হয় জনশক্তির প্রত্যক্ষ মতামতের ভিত্তিতে, যেখানে কেউ প্রার্থী হন না বা পদের জন্য কেউ প্রত্যাশী হয় না। আর নেতৃত্ব নির্বাচনে কোন কোন ধরণের ক্যানভাস
চলে না। অন্যান্য ইসলামী দলে নেতৃত্ব নির্বাচন হয়না। যে ব্যক্তি প্রধান দায়িত্বশীল হন
, তিনি প্রায়শই স্থায়ী ভাবে সে পদে আসীন থাকেন। কেবলমাত্র নেতৃত্বের প্রত্যাশার কারণে অন্যান্য ইসলামী দল ভেঙে বিভিন্ন উপদল সৃষ্টি হয়।

জ. জামায়াতে ইসলামীর জনশক্তির মানোন্নয়নের জন্য রয়েছে একটি স্তর বিন্যাস। যার মাধ্যমে একজন মুমিনকে প্রকৃত মুমিন হিসাবে গড়ে উঠতে প্রচেষ্টা চালানো হয়। যা অন্যান্য ইসলামী দলে অনুপস্থিত।

ঝ. জামায়াতে ইসলামী আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল সা. প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের জীবনের প্রতিটি পর্যায়কে পরিচালিত করার লক্ষ্যে একদল লোক তৈরী করছে। ঐ সব লোকের মাধ্যমে দেশের জনগনের মতামতের ভিত্তিতে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ করতে চায়। অন্যান্য ইসলামী দলে লোক গঠনের এ প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 

লেখাটি আপনার ভাল লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published.