তাসাউফ

তাসাউফ

তাসাউফ বর্তমান দুনিয়ার একটি পরিচিত পরিভাষা। ইলমে তাসাউফ নামে পরিচিত শব্দটাকে কুরআনে বলা হয়েছে ‘তাযকিয়ায়ে নফস’। হাদীসে যাকে বলা হয়েছে ‘ইহসান’। আর শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রাহ. যাকে বলেছেন ‘আখলাকে ইহসান’।

মানুষের প্রকাশ্য কার্যবলীর সম্পর্ক ফিকহের সাথে, আর অন্তরের অবস্থার সাথে সম্পর্ক তাসাউফের। মানুষের সামগ্রিক কাজের যে অংশটি চোঁখে দেখা যায়না, যার সম্পর্ক কেবল মন এবং মানসিক অবস্থার সাথে, মানসিক সেই অবস্থাকে পবিত্রকরণ এবং আল্লাহমুখী করার কার্যক্রমই তাসাউফ। 

তাসাউফ ৩ভাগে বিভক্তঃ

একঃ নির্ভেজাল ইসলামী তাসাউফঃ নবী মুহাম্মদ সা. এর তরীকা সহজ সকল নিয়মে কোন বিশেষ কায়দা-কানুন ছাড়া ইসলামের মৌলিক ইবাদত সমূহের পাশাপাশি রাসূল সা. এর শিখানো পদ্ধতি অনুযায়ী যিকর তাসবিহ ইত্যাদির মাধ্যমে নফসের তাযকিয়াকে বুঝায়।

দুইঃ নিম ইসলামী তাসাউফঃ ইসলামী শরীয়াতের সীমার মধ্যে থেকে আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে ভারতীয় যোগী ঋষি তথা গ্রীক দর্শনের ভিত্তিতে কিছু যোগ আসন জনিত প্রক্রিয়া পদ্ধতিকে বুঝায়।

তিনঃ গায়ের ইসলামী তাসাউফঃ আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধনের নামে গায়র ইসলামী প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে গিয়ে যারা ইসলামী শরীয়াতের সীমা লংঘন করছে এবং শিরক বিদায়াতের জন্ম দিচ্ছে তাদের বুঝায়।

লেখাটি আপনার ভাল লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
আমার লিখা আর্টিক্যাল লেখালেখি