বাংলাদেশ থেকে কাতার ফিরবেন যারা, তাদের জ্ঞাতার্থে

0
1227

কাতারের আইডি ধারী তথা পারমেন্ট ভিসায় যারা কাতারে অবস্থান করেন এবং এই মূহুর্তে যারা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, তাদের জ্ঞাতার্থে এই লিখাঃ

আমি জানি যে, বাংলাদেশে অবস্থান করছেন এমন কোন বাংলাদেশীকে কাতারে প্রবেশের ব্যাপারে কাতার সরকার এখনো কোন ঘোষনা প্রদান করেনি। আমি ব্যক্তিগত ভাবে প্রতিদিন কাতারের গালফ টাইম, আল শারক পত্রিকা দূ’টি ঘুমানোর আগ পর্যন্ত সর্বশেষ আপডেট দেখে ঘুমাতে যাই। কাতারে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত (আমার বিচেনায় বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল) নিউজ পোর্টাল “গালফ বাংলা” ইদানিং তাদের আপডেট গুলো সমৃদ্ধ ও তড়িৎ করেছে এবং এই নিউজ পোর্টালে এই পর্যন্ত কোন আজগুবি নিউজ আমার চোঁখে পড়েনি। এই নিউজ পোর্টালটিও আমি নিয়মিত দেখি।

যে সব কাতার প্রবাসী বর্তমানে বাংলাদেশে আটকা পড়েছেন, তারা রীতিমতো টেনশনে রয়েছেন। আর এই টেনশনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে কিছু কিছু ইউটিউব নিউজ, ফেইসবুক স্ট্যাটাস এবং কতিপয় নামমাত্র লেখাপড়া করা “সাংবাদিক” এর তথ্য যাচাই না করে প্রকাশিত নিউজ।

আজ আমি তিনজন কাতার প্রবাসীর টিকেটের কপি নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজ এর হেড অফিসে যাই এবং হোটেল কোয়ারেন্টাইনের রিজার্ভেশন সহ তাদের টিকেট রি-ইস্যু করে দিতে অনুরোধ করি। তখন তাদের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য পাই তার সারমর্ম হচ্ছেঃ

১. আগামী ১ জুলাই কাতার সরকার ঘোষনা প্রদান করবে যে, কোন কোন দেশ থেকে কিউআইডি ধারীগন কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন।

২. যদি ১ জুলাইয়ের ঘোষনা অনুযায়ী বাংলাদেশকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়, তাহলে তারা  কিউআইডিধারীদের জন্য নতুন টিকেট ইস্যু করবে অথবা পুরাতন টিকেট রি-ইস্যু করে দেবে। এই ঘোষনা না আসা পর্যন্ত তারা কোন টিকেট ইস্যু বা রি-ইস্যু করবে না।

৩. যদি ১ জুলাইয়ের পরে তারা কোন টিকেট ইস্যু বা রি-ইস্যু করে দেয়, তাহলে সেই টিকেটের কপি নিয়ে যেতে হবে পার্শবর্তী কাতার এয়ারওয়েজের হলিডে প্যাকেজের জন্য নির্ধারিত অন্য অফিসে। সেখান থেকে হোটেল কোয়ারেন্টাইনের রিজার্ভেশন সমাপ্ত করে টিকেটে ও হোটেল রিজার্ভেশন সংশ্লিষ্ট প্যাসেঞ্জারের কাছে প্রেরণ করলে তিনি নির্ধারিত সময়ে কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং প্রবেশ করিবামাত্র ১৪ দিনের হোটেল কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করা হবে।

৪. এই মূহুর্তে কাতার এয়ারওয়েজের দোহা-ঢাকা-দোহা ফ্লাইট চালু আছে। কিন্তু তাতে কাতার থেকে কেউ যেতে পারবেন না বা ঢাকা থেকে কেউ আসতে পারবেন না। বরং  এমন প্যাসেঞ্জার যিনি কাতার এয়ারওয়েজ যোগে বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে ঢাকা যেতে চাইলে তাকে কাতারে নিয়ে আসা হয়  এবং দোহা-ঢাকা ফ্লাইট যোগে বাংলাদেশ প্রেরণ করা হয়। অপর দিকে যে সব প্যাসেঞ্জার কাতার এয়ারওয়েজ যোগে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেতে চান, তাদেরকে কাতার এয়ারওয়েজের ঢাকা-দোহা ফ্লাইট বহণ করে কাতার নিয়ে আসে এবং অন্য ফ্লাইটে তাদেরকে তাদের গন্তব্যে পৌছে দেয়। তাছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা কাতারী নাগরিকদের এই সব ফ্লাইট নিজ দেশে নিয়ে আসতেছে।

৫. যদি কেউ অন্য কোন এয়ার লাইন্সের টিকেট ক্রয় করে থাকেন, তাহলে তিনিও টিকেট প্রদর্শন করে কাতার এয়ারওয়েজের হলিডে অফিস থেকে হোটেল রিজার্ভেশন সম্পাদন করতে পারবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here